কুমার চক্রবর্তীর কবিতায় লেওনার্দো দা ভিঞ্চির জীবনচরিত্র
কুমার চক্রবর্তীর রচিত 'লেওনার্দো' কবিতায় লেওনার্দো দা ভিঞ্চির জীবন, শিল্পচর্চা এবং প্রাণীপ্রেমের ছবি ফুটে উঠেছে।
কুমার চক্রবর্তীর রচিত 'লেওনার্দো' কবিতায় লেওনার্দো দা ভিঞ্চির জীবন, শিল্পচর্চা এবং প্রাণীপ্রেমের ছবি ফুটে উঠেছে।
জব্বার আল নাঈমের কবিতা ‘ভয়ংকর!’-এ সভ্যতা ও প্রাণীর সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। কবিতায় মানুষকে সবচেয়ে ভয়ংকর জন্তু হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।
কেতকী কুশারী ডাইসনের বহুমুখী সাহিত্যকর্ম নিয়ে লেখক অমৃতা ইশরাত স্মৃতিচারণা করেছেন। কেতকী ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, গবেষক ও অনুবাদক। তাঁর সাহিত্যজীবনে বহুমুখিতার অন্তর্গত গভীর অন্তঃসম্পর্ক ছিল।
কবি নিতাইয়ের যে অবয়ব তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ‘কবি’ উপন্যাসে দাঁড় করিয়েছেন, সেখানে অনিশ্চিত জীবনের বিপরীতেও নিতাই সগৌরবে নিজেকে দেখতে চেয়েছে মর্যাদার আসনে।
ফারুক মাহমুদের কবিতা ‘অসমাপ্ত ঝগড়াগুলো’
সৌমেন্দ্র গোস্বামীর কবিতা ‘না পাওয়ার সাধনা আমার’-এর বিশ্লেষণ ও উদ্ধৃতি।
হিংসা, দমন ও অন্ধকারের এই যুগে একুশ শতকের প্রতি কবির গভীর আবেদন ও মানবিকতার পুনরুদ্ধারের আহ্বান।
মানুষের মৃত্যু উপভোগ্য ও সমাদৃত। ফলে ভড়কে যাওয়ার অবসর নাই। দূরত্ব পদার্থবিজ্ঞানের প্রহেলিকা। তার ফারাক গোছাতে যাওয়ার মতো বোকামি করতে যাব না।
কিটসের কবিতার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি প্রকৃতিকে শুধু চোখে দেখেন না; প্রকৃতির ঘ্রাণ, স্বাদ, শব্দ, স্পর্শ—সবকিছু যেন তাঁর কবিতায় এসে জড়ো হয়। ফুল শুধু ফুল নয়, তার গন্ধ আছে; ফল শুধু ফল নয়, তার রস আছে; পাখি শুধু পাখি নয়, তার গান আছে।
কথাসাহিত্যিক হাসনাত আবদুল হাই উপন্যাসের পরিবর্তনশীল ধরন ও তরুণ লেখকদের প্রেরণার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন।
জাহিদ হায়দারের কবিতা ‘প্রকৃতির অটোফিকশন’
রওশন রুবীর কবিতা ‘শূন্যতার গভীরে তাকাও’-এ আত্মপরিচয়, হারানো স্বপ্ন ও পুনর্জন্মের গভীর আলোচনা।
শেলী নাজের রচিত ‘ডাক’ কবিতায় মানবিক বেদনা, বিচ্ছিন্নতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার ছবি ফুটে উঠেছে।
কাঁদতে বসে আমি তোমার নাক দেখি। হাসতে বসে আমি তোমার বুকে মুখ গুঁজে দেই। তুমি নিশ্চয়ই বলবে...
১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি বিচারাধীন বন্দী নজরুল আদালতে নিজের বক্তব্য পেশ করেন। পরবর্তীকালে সেই বক্তব্য বাংলা সাহিত্যে ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ নামে স্থায়ী জায়গা অর্জন করে।
ফেসবুকে জনপ্রিয় হওয়া কবিতার মধ্য থেকেও হয়তো কিছু কবিতা কালের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সাহিত্যের মূলধারায় জায়গা করে নেবে, আবার অনেক প্রশংসিত ‘সিরিয়াস’ কবিতাও কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।
জিয়াবুল ইবনের কবিতা ‘ম্যানিকুইন’
সরোজ মোস্তফার কবিতা ‘দিদি’
বাদশাহর নির্দেশ কর্মচারীদের ওপর—তাকে যেন দজলা নদীপথে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। নদীপথ অধিক সহজ ও সুবিধাজনক। বেদুইন এসেছিল স্থলপথে অধিক কষ্টে প্রতিকূল পরিবেশ পাড়ি দিয়ে। দজলার নদীপথ তার অচেনা।
শতবর্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১২০ শিল্পীর কণ্ঠে ধ্বনিত হলো ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’।
আলোচকেরা বলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাহিত্যিক জীবন ছিল মাত্র ছয় থেকে সাত বছরের। অথচ তাঁর সৃষ্টি দশকের পর দশক ধরে বাঙালিদের আচ্ছন্ন, মুগ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
জানালা খুলে দেখি সব শান্ত, ঝাড়বাতির নিচে সমবেত লোকেরা পরিপাটি, চকচকে সু পায়ে পুরুষলোকেরা, মহিলারা জামদানি পরে আছে যেন জামের বাগান।
অন্ধত্বপ্রাপ্তি সম্ভবত বোর্হেসের বংশের প্রতি পুরুষে একজনের জন্য ছিল অবধারিত। দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে হতে শেষ জীবনে তিনি প্রায় অন্ধই হয়ে যান।
পাশ্চাত্য সাহিত্যতত্ত্বে ওয়ার্ডসওয়ার্থ একটা বিখ্যাত ধারণা দিয়েছিলেন— কবিতা হলো প্রবল অনুভূতির স্বতঃস্ফূর্ত উপচে পড়া, যা শান্ত স্মৃতিচারণার মধ্যে ফিরে আসে।