নজরুলের ডাকটিকিটে সেই মহাভুল, তারপর
পূর্ব পাকিস্তানের একমাত্র যে সর্বজনমান্য ব্যক্তিত্বকে পশ্চিম পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ডাকটিকিটের বিষয় হিসেবে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিল, তিনি হলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
পূর্ব পাকিস্তানের একমাত্র যে সর্বজনমান্য ব্যক্তিত্বকে পশ্চিম পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ডাকটিকিটের বিষয় হিসেবে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিল, তিনি হলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
একদিন নতুন নির্দেশ এল যে নজরুলের লেখা যেকোনো পাণ্ডুলিপি দ্রুত পরীক্ষা করে পাঠাতে হবে। হরিদাসের বুকের ভেতর কেমন যেন আনন্দ হলো।
১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ। কলকাতার ৩/৪ সি, তালতলা লেনের একটি বাড়ির নিচতলার দক্ষিণ-পূর্ব কোণের ঘর।
১৯৯৯ সালে মুক্তকণ্ঠের সাময়িকীতে প্রকাশিত হোর্হে লুইস বোর্হেসের দুটি অনুবাদিত কবিতা এখন অনলাইনে প্রকাশিত হলো।
ফারহান ইশরাকের গুচ্ছকবিতা ‘ছায়াটি ভেঙে ফেলা হবে’
নজরুলের রচনা পাঠ শুরু করার আগে আমি ভেবেছিলাম তিনি হয়তো অলংকারপূর্ণ, লোক-খ্যাপানো বাক্যবাগীশ, এলোমেলো, ভাবাবেগপূর্ণ, অপরিমার্জিত। আসলেই এসব বৈশিষ্ট্য তাঁর রয়েছে। কিন্তু তাঁর শক্তিও বিরাট, মৌলিকত্বও আছে তাঁর।
শহীদ মানেই ঢাকার অগুনতি ক্যাফে, রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকানে অখণ্ড নির্ভেজাল নিরুপদ্রব আড্ডা আর আড্ডা। সদলবলে অ্যাসফল্টের রাস্তা, অলিগিলি ভেঙে উদ্দেশ্যবিহীন ঘুরে বেড়ানো দিনের পর দিন, রাতের পর রাত।
মাহবুব কবিরের কবিতা ‘আমচাষি’ প্রকাশিত হয়েছে মুক্তকণ্ঠে।
কামরুল হাসানের কবিতা ‘শোভা দেখে যাচ্ছি’
আলফ্রেড খোকনের ‘দালালঘর’ কবিতায় দালালি প্রথা ও দুর্নীতির বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
প্রকৃতি ও মাটির রূপান্তরের কাব্যিক আখ্যান মাসুদ খানের ‘অন্নপূর্ণা’ কবিতা।
সিমেলের চিন্তায় দূরত্ব কোনো সম্পর্কের নিছক ব্যর্থতা নয়। অনেক ক্ষেত্রে দূরত্বই সম্পর্কের শর্ত। ‘অর্থের দর্শন’ বা ‘দ্য ফিলোসফি অব মানি’-তে তিনি বস্তুগত ভ্যালু বা অর্থের সূত্র খুঁজতে গিয়েও ডিসট্যান্স বা দূরত্বের ধারণার কাছে পৌঁছেছিলেন।
প্রতি বছর ২১ আগস্ট কবি দিবস পালিত হয়। কবিতা ও কবিদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের এই দিনটি মূলত সাহিত্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি উপলক্ষ।
মিয়ানমারে সামরিক জান্তার হাতে কবি খেৎ থির হত্যার পর তাঁর মৃত্যুকে কবিতার জগতে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখেছেন ইয়ো খাৎ।
নজরুল দেখিয়েছেন কী সহজে নবীর নাম ‘আহমদ’, আল্লাহর নাম ‘আহাদের’ লক্ষণা হয়ে ওঠে। এই ক্ষেত্রে নজরুল মৌলিক, এই দাবি আমি করছি না।
১৯৬৮ সালে আইয়ুব পাকিস্তানের সব ভাষার জন্য অভিন্ন রোমান হরফ চালু করার প্রস্তাব করলে মাতৃভাষার ওপর শোষকের খড়গের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েই কবি ক্ষান্ত হন না, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লেখেন ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’র মতো হৃদয়স্পর্শী কবিতা।
অবনি অনার্যের রচিত ‘প্রতিপলক’ কবিতার একটি সংকলন।
কুদরত-ই-গুলের কবিতা ‘অনিবন্ধিত বৃষ্টি’
পিয়াস মজিদের ‘অযাপিত’ কবিতার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে আধুনিক জীবনের একঘেয়েমি এবং যাপনের করুণ বাস্তবতা।
জুয়েল মাজহারের কবিতা ‘সমুদ্রখাঁড়ির পাশে’
আফজাল হোসেনের ‘প্রেমহীনতা’ কবিতায় প্রেমে ব্যর্থ এক যুবকের ক্রোধ এবং তার চারপাশের জগতের প্রতি চরম ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
সালিমা হাশমি বিখ্যাত কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ এবং তাঁর ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত স্ত্রী অ্যালিস ফয়েজের জ্যেষ্ঠ কন্যা। সালিমা হাশমি পাকিস্তানের আধুনিক শিল্পীদের প্রথম প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেন, যাঁরা আদিবাসী শিল্পীদের থেকে আলাদা একটি শৈল্পিক পরিচয় বহন করে।
কৃষাণের জীবনের শরিক হয়ে তাঁদের সত্য আত্মীয়তা অর্জন করেছিলেন সুকান্ত ভট্টাচার্য। অথচ তাঁর জন্ম নগরে, ফসলের খেত আর ফসল ফলানো কৃষক থেকে বহু দূরে তাঁর সামাজিক অবস্থান। কৃষকের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও লড়াইকে চেতনায় ধারণ করে তিনি উপহার দিয়েছেন অসামান্য সব কবিতা।
আবুল হোসেন (১৫ আগস্ট ১৯২২–২৯ জুন ২০১৪) কলকাতায় গিয়েছিলেন গ্র্যাজুয়েশন করতে। তখন ‘তিরিশের’ প্রধান কবিদের অধিকাংশের সঙ্গেই তাঁর সরাসরি সাক্ষাৎ হয়। বাংলা কবিতা তত দিনে নতুন ‘আধুনিকতা’য় আস্থা পেয়েছে। ছাত্রজীবনেই প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ নববসন্ত (১৯৪০)। আবুল হোসেন কেন বাংলাদেশের প্রথম ‘আধুনিক’, কবির কাল ও কাব্যশৈলী বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে এই লেখায়।