বাতাসে উড়তেছিল সার্বভৌমত্ব আমি দাঁড়িয়ে থেকে দেখছিলাম— একটা গাছ, আরেকটা গাছের চোখ বাঁধার দৃশ্য পুনরায় একটা মাছিকে দেখছিলাম— আমার চারপাশে ঘুরতে আমি ভুলে গেলাম বাতাসের শব্দে জাগা মাছিদের পুনর্জন্ম, রহস্য পড়ে থেকে মাছিরা মৃত্যুর ভান করতে জানে আমি জানি না— কিংবা চরিত্রে মনোহরণ কারা তবে বাতাসের যৌগিক হিসাব কষে গ্রন্থিতে লিখে রেখেছিল আর্শিয়ার নাম।

এমনকি সন্ধ্যা, ফ্রেমের বাইরে সূর্যআকাশে চোখ মেলাআমি কোথায় যাব?বেড়ে ওঠা গাছ কার প্রতি দায়িত্বে পরায়ণকেবল মাথার ভেতর ঘুরছেআমরা কেউই যেন কারও নইসর্বগ্রাসী হয়ে আছে আমাদের হৃদয়পুরোনো দেয়ালে অ্যাচাটিনা গোত্রের শামুকসেই কত দিন হয়ে গেল দেখছি—এখানেই পড়ে আছেতাদের কি আরও বেশি দূরে যাবার ইতিহাস নেই!যেন ঘোড়ার ঢঙে বয়ে গেল বাতাস(অন্তত কাছাকাছি) হলে নাহয় বলব একদিনবাতাস, তুমি কি মর্গেও যাও?

এই বৈচিত্র্যের দিনে তাৎপর্য কাহিনি লিখবপুরো শীতকালজুড়ে কীভাবে ঝুলে থাকেক্লথ হ্যাঙ্গারে—একটা কাকাতুয়ার রঙের ওপর নির্ভর করেকীভাবে বেড়ে ওঠে রোদের উচ্চতা—আর দেখব—পাশের ফ্ল্যাটের দম্পতিরচুড়ুই পাখির মতো সংগম শেষে ফিরে আসাএই দৃশ্য দেখামাত্রআমি বাতাসকে বলে দেবফুলে খেলো সখীকোথাও বসে হয়তো ভাবব—এক দ্যুতিময় ঠোঁটে মৃত্যু–আভাসনিয়ে উড়ে যাবে ফ্যালকনসমান্তরাল পাকা ধানের খেততা গ্রাম না হয় শহরআরও একটুসামান্য এগিয়ে গেলেই পাখিদের পাঠ্যক্রম।