কবিতার কর্মশালা কি কাউকে কবি বানাতে পারে?
রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ বা শামসুর রাহমান কোনো কর্মশালায় যাননি; তাঁরা কবি হয়ে উঠেছিলেন দীর্ঘ নিঃসঙ্গ সাধনায়। তবে আধুনিক কাব্যজগতে কর্মশালার ভূমিকা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে এক বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা।
রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ বা শামসুর রাহমান কোনো কর্মশালায় যাননি; তাঁরা কবি হয়ে উঠেছিলেন দীর্ঘ নিঃসঙ্গ সাধনায়। তবে আধুনিক কাব্যজগতে কর্মশালার ভূমিকা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে এক বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা।
কবি হেলাল হাফিজের জীবনসংগ্রাম, তাঁর জনপ্রিয় কবিতাগুলো এবং সেই কবিতাগুলো থেকে নির্মিত গানের কথা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন।
মাসুদুল হকের কবিতায় প্রাচীন বিহারের শূন্যতা, ইতিহাস এবং মানুষের অস্তিত্বের এক অনন্য সংমিশ্রণ ফুটে উঠেছে।
কবীর আলমগীরের কবিতার সংকলনে প্রকৃতি, প্রেম এবং বিরহের এক অসাধারণ মেলবন্ধন দেখা গেছে।
জনপ্রিয়তার বিচারে না গিয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশে, আমার ধারণা, গ্রহণযোগ্যতার বিচারে অন্য লেখকদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন কাজী নজরুল ইসলাম।
কাজল শাহনেওয়াজের কবিতায় ফুটে উঠেছে প্রেম, বিরহ, অসুস্থতা এবং লালন সাঁইয়ের প্রতি আধ্যাত্মিক আকুলতার এক অনন্য সংমিশ্রণ।
আবিদ আনোয়ারের ‘অন্নদামঙ্গল’ কবিতায় বিশ্বজুড়ে ক্ষুধার্ত শিশুদের করুণ দশা এবং কৃত্রিম অভাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মুক্তকণ্ঠের পাতায় প্রকাশিত হলো তাসনুভা অরিনের নতুন কবিতা ‘যাযাবরনামা’।
অপূর্ব রায়ের ‘হৃদয় শ্মশান’ কবিতায় বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশ এবং শূন্যতার মাঝে এক দিব্য নৃত্যের কথা বলা হয়েছে।
দেশে কত মহাজ্ঞানী কত কী যে জ্ঞান দেয়/ শিশু ঠিকই বোঝে এরা এত কিছু ক্যান দেয়/ নিশ্চয়ই আড়ালে যে আছে কোনো মতলব/ ঠিকই এরা তলেতলে কমবেশি বদ লোক।
কোথাও বসে হয়তো ভাববো-/ এক দ্যুতিময় ঠোঁটে মৃত্যু–আভাস/ নিয়ে উড়ে যাবে ফ্যালকন/ সমান্তরাল পাকা ধানের খেত/ তা গ্রাম না হয় শহর/ আরও একটু/ সামান্য এগিয়ে গেলেই পাখিদের পাঠ্যক্রম।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করানো নয়, আমাদের সব কাজই মৃত্যুকে জয় করার জন্য। মানুষের ক্ষুধা পেলে মানুষ খায়—এটা গুরুত্বপূর্ণ। অনাহার দীর্ঘতর হলে সে থাকবে না।
রিফাত চৌধুরীর গুচ্ছ কবিতা ‘কামান’ ও অন্যান্য কবিতা
শিহাব সরকারের কবিতা ‘সিঁড়ির শেষ ধাপে’
অদ্বৈত মারুতের কবিতা ‘সন্ধ্যাভাষা’
চন্দন চৌধুরীর কবিতা ‘ভাত আবিষ্কার’
উম্মে হাবীবার কবিতা ‘বসন্ত বউ’
নিজাম আশ শামসের কবিতা ‘শূন্যকাব্য’
আযাদ কালামের কবিতা ‘নিদ্রাভঙ্গের আতঙ্ক’
এলিয়টের জীবনের আরেকটি জটিল অধ্যায় এমিলি হেলকে ঘিরে। তাঁদের পরিচয় ১৯১০-এর দশকের গোড়ায়। পরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। ১৯৩০ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এলিয়ট হেলকে এক হাজারের বেশি চিঠি লিখেছিলেন। ২০২০ সালে সেই চিঠিগুলো গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত হলে সাহিত্যজগতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।
বাংলা শিশুসাহিত্যের অনন্য রূপকার আখতার হুসেন মূল পরিচয়ে একজন খাঁটি কবি। গল্প, নাটক কিংবা জীবনী রচনায় নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখলেও বড়দের সাহিত্যচর্চার পথ ছেড়ে শিশুদের জন্য লেখাকেই তিনি গ্রহণ করেছেন জীবনের পরম ব্রত হিসেবে।
আলী আনোয়ার ব্যাখ্যা করেছেন, ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমে পাবলো নেরুদা–প্রাপ্তিতে আমাদের লাভ-লোকসান। পোস্টকলোনিয়াল তত্ত্ব নিয়ে কোনো বুলিবাগিশতা না করে দেখিয়েছেন এর প্রায়োগিক দিক।
তীর্থযাত্রী দান্তে শনিবার পারগেটরি অতিক্রম করবেন এবং ইস্টার সানডের কয়েক দিন পর ন্যায়সংগতভাবে স্বর্গে প্রবেশ করবেন, আর তাঁর সঙ্গী হবেন তাঁর প্রিয়তমা বিয়াত্রিচে, তাঁর জীবনের অনুপ্রেরণা ও অমর প্রেম।
কাজল শাহনেওয়াজের রচিত 'শেপলেস সময়' কবিতায় মানসিক একাকীত্ব, বেদনা এবং দৈনন্দিন জীবনের সরল আকাঙ্ক্ষার গভীর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।