মার্বেল সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে নেমেছি শেষ ধাপেঅন্ধকার গহিনে পথ। গা ছমছম করেরক্তপায়ী মাকড়েরা সব খোলসে, হাওয়া নেই, তবু নড়ে।শূন্য থেকে হাত নেমে এসে শ্বাসনালি চেপে ধরেবুঝে যাই, মুক্তির শেষে খোলা বাতাসে কখনো হবে নাকড়া নাড়ার তালে তালে জ্যোৎস্নার উৎসবসিঁড়িঘরের জানালায় কুজ্ঝটিকার হাহা রবইমারত চৌচির, শতায়ু বৃক্ষ উপড়ে পড়েছেতাণ্ডব শেষ হলে ধূলি থেকে চারা আর জাগে নাকোনো কালে কুঁড়ির ভিতরে ছিল পদ্ম মনোহরলৌহফটকে তালা নেই তো আর, স্বপ্নের ভিতরেএই তো সময় দলেবলে ঘাটে যাওয়ার।বালিদ্বীপ থেকে আকালে উড়ে এলে সৌরভ,শুনেছি সারসের কত না মায়া-কলরবকেন ওরা থেকে যায় বন্ধ্যা নদী ও ধূলিঝড়ে,জানি না তো মাঝিরা ফসিলে নৌকা ভরে কোথা যায়।সিঁড়ির শেষে শীতের পিছু পিছু আসে অন্ধকারনা দেখে যেতে পারে কারা এই সব ঠান্ডা সৎকার।
‘কামান’ ও অন্যান্য কবিতা
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ