প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে এলপিজির দাম বেশি
ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের তুলনায় বাংলাদেশে রান্নায় ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের নির্ধারিত দাম অনেক বেশি।
ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের তুলনায় বাংলাদেশে রান্নায় ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের নির্ধারিত দাম অনেক বেশি।
প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় নির্ধারিত দাম বেশি। আবার নির্ধারিত দামও বাজারে কার্যকর হয় না।
নির্ধারিত দামে এলপিজি নিশ্চিত করতে এবং কৃত্রিম সংকট রোধে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
বাজারে এলপিজি সরবরাহে ঘাটতির কারণে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে, তবে আমদানির পরিমাণ কমেনি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বেড়ে ১,৮৩৭ টাকা করা হয়েছে। বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মজুতদারির অভিযোগ উঠেছে।
ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি ২১ টাকা বৃদ্ধির ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বেড়েছে।
রাঙামাটি শহরে এলপিজি সংকটের কারণে যোগাযোগব্যবস্থায় চরম বিপর্যয়। চারটি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে তিনটিতে গ্যাস নেই, ফলে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত এলপিজি আমদানি হয়েছে জানিয়ে নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছে লোয়াব।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি) নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বা অবৈধ মজুতের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশে এলপিজি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিনি জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন।
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এলপিজি সরবরাহে কৃত্রিম সংকট ও অবৈধ দাম বৃদ্ধির অভিযোগ তদন্তে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন।
গ্যাসের সংকটে খুলনায় দুর্ভোগে পড়েছেন সিএনজি ও এলপিজিচালিত যানবাহনের চালক-মালিকরা। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনভর নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নিতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই। তবে পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও কোথাও কোথাও দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ এলপিজি মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন...
দেশের বাজারে এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) কোনো ধরনের সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীকে এলপি গ্যাস অপারেটররা আশ্বস্ত করেছেন যে দেশে কোনো এলপি গ্যাসের সংকট নেই।
এলপিজি সংকট, বেড়েছে দামও
গত জানুয়ারিতে সরকারিভাবে এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাঁচ দফা দরপত্র আহ্বান করেও কোনো সাড়া পায়নি সংস্থাটি।
বিইআরসির নতুন ঘোষণায় বেসরকারি খাতের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমে ১ হাজার ৫৮৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
বিইআরসি সেপ্টেম্বরে এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমে ১ হাজার ৫৮৫ টাকায় নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকালে কথা হয় চট্টগ্রাম নগরের জামালখান এলাকার বাসিন্দা চন্দনা চৌধুরীর সঙ্গে। ভোরে ওঠার এই বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, সকাল ৮টার পর থেকে গ্যাস নেই তাঁর বাসায়।
এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তকে জনবিরোধী আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মাঝে এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছে দলটি।
বাংলাদেশে গ্যাস সংকটের মধ্যে বেসরকারি খাতের এলপিজির দাম বেড়েছে; ১২ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৫৯৮ টাকা।
চট্টগ্রামে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪২২ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমেছে ৩৫৭ টাকা।