এলপিজি অপারেটরদের ডাকা দুই দিনের ধর্মঘট শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ এলপি গ্যাস ট্রডার্স কো-অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশন এই ধর্মঘট প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি সরবরাহ এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনের নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
এর আগে বুধবার সকালে সচিবালয়ে অবস্থিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেন যে, ধর্মঘট প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট করে পণ্যের মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা গ্রহণ করা হবে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রয়োগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এলপি গ্যাস ট্রডার্স কো-অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশন এর আগে ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ করা এবং কমিশনের পরিমাণ বাড়ানোর দাবির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) সারা দেশে দুই দিন এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল।