জব্বার আল নাঈমের কবিতায় মানুষের ভয়ংকর রূপ
জব্বার আল নাঈমের কবিতা ‘ভয়ংকর!’-এ সভ্যতা ও প্রাণীর সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। কবিতায় মানুষকে সবচেয়ে ভয়ংকর জন্তু হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।
জব্বার আল নাঈমের কবিতা ‘ভয়ংকর!’-এ সভ্যতা ও প্রাণীর সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। কবিতায় মানুষকে সবচেয়ে ভয়ংকর জন্তু হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।
বাউল শাহ আবদুল করিমকে অনেকে শুধু মরমি গীতিকার হিসেবে চেনেন। কিন্তু তাঁর গানে ও জীবনে মিশে আছে গভীর রাজনীতি—হাওরের দুঃখী মানুষের কথা, রাষ্ট্রের শোষণ আর সমাজ ভাঙনের আখ্যান। ‘দেশের দুঃখ-দুর্দশার ছবি’ আঁকতে গিয়ে করিম কীভাবে হয়ে উঠলেন সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর, এ নিয়ে লিখেছেন সহুল আহমদ
রানা ভিক্ষুর গল্প ‘পেইড ফ্রেন্ড’
ব্রিটিশ লেখক র্যাচেল কাস্কের নতুন উপন্যাস ‘লাইফ অব এম’ প্রকাশের পর থেকেই সাহিত্যজগতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এই ‘এম’ কি ন্যাটালি পোর্টম্যান? এখান থেকেই শুরু জল্পনা।
অসুখী বাল্যকাল একজন যুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির মেধাকেও যে কতটা অযৌক্তিক করে তোলে এমনকি ক্রমশ তাঁর মানসিক ভারসাম্য বিপন্ন ও পর্যুদস্ত করে, বিনয় তার প্রমাণ।
পুরুষশাসিত জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে আবির্ভূত হন ফুকুদা চিও-নি (১৭০৩-১৭৭৫)। চিও-নি অর্থ সন্ন্যাসিনী চিও। তিনি কাগা নো চিও নামেও পরিচিত। তিনি ছিলেন একাধারে একজন অসাধারণ হাইকু কবি, বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী এবং এমন এক স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্ব, যিনি তাঁর কবিতার মাধ্যমে প্রকৃতির গভীরে প্রবেশ করার পাশাপাশি নারীর জীবনানুভূতি ও সমাজের রূঢ় বাস্তবতাকে অনবদ্য শৈল্পিক রূপ দিয়েছেন।
সাধারণত বাণিজ্যিক পাঠকপ্রিয়তা ও শিল্পমানকে দুটি ভিন্ন মেরুর মনে করা হলেও, তারাশঙ্করের কলমে এই দুইয়ের সংমিশ্রণ ঘটেছে। কীভাবে এটা সম্ভব হলো? তারাশঙ্কর কেন আলাদা? কেন তিনি একই সঙ্গে পাঠকপ্রিয় ও কালোত্তীর্ণ?
ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ওমো ভ্যালিতে মুরসি নৃগোষ্ঠীর গ্রামে গিয়েছিলেন লেখক। বিচ্ছিন্ন এই জনপদে এখনো টিকে আছে কৃষি, পশুপালন ও নিজস্ব সংস্কৃতিনির্ভর জীবনযাপন। মুরসিদের ঘরবাড়ি, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-অলংকার, বিশ্বাস ও দৈনন্দিন জীবনের নানা অনুষঙ্গের মধ্য দিয়ে লেখকের চোখে ধরা পড়েছে এক ভিন্ন জগত।
সৈয়দ মুজতবা আলীকে আমি দেখেছি সামান্যই, আলাপও হয়েছে তাঁর সঙ্গে সামান্যই। তবু তাঁর সম্পর্কে কতগুলো পর্যবেক্ষণ ছিল আমার, কতগুলো সিদ্ধান্তে আমি পৌঁছাতে পেরেছিলাম।
কেতকী কুশারী ডাইসনের বহুমুখী সাহিত্যকর্ম নিয়ে লেখক অমৃতা ইশরাত স্মৃতিচারণা করেছেন। কেতকী ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, গবেষক ও অনুবাদক। তাঁর সাহিত্যজীবনে বহুমুখিতার অন্তর্গত গভীর অন্তঃসম্পর্ক ছিল।
ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে রাজধানীতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান। আলোচকদের মতে, ভাষা আন্দোলন ও সাহিত্যে তাঁর অবদান অমর।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের উদ্যোগে দুই শতকের বাঙালির মনন ও চিন্তার বিপুল ভান্ডার সংকলিত হয়েছে ২০৯ খণ্ডে। দীর্ঘ এই কর্মযজ্ঞ শুধু বাঙালির চিন্তার ঐশ্বর্যকে এক মলাটের পরিসরে এনেছে তা নয়, ভবিষ্যৎ জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার জন্যও তৈরি করেছে এক মূল্যবান ভিত্তি।
ফারুক মাহমুদের কবিতা ‘অসমাপ্ত ঝগড়াগুলো’
উদয় রহমানের গল্প ‘কানকাটা ভ্যান গঘ’
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী উপন্যাসে বিপ্লববাদী আন্দোলনের প্রসঙ্গ থাকায় প্রকাশের পরপরই এটি বাজেয়াপ্ত হয়। তবে উপন্যাসে অহিংস আন্দোলনের প্রতি লেখকের সমর্থনও দেখা যায়। শরৎচন্দ্র কি উপন্যাসে নিজের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক দর্শন প্রকাশ করতে চেয়েছেন, নাকি সে সময়ে বিদ্যমান রাজনৈতিক ধারা ও আদর্শ তুলে ধরতে চেয়েছেন—পথের দাবী প্রকাশের শতবর্ষ উপলক্ষে এ লেখায় সেই প্রশ্নের জবাব খোঁজা হয়েছে।
বাংলা শিশুসাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক ও চ্যানেল আইয়ের সাবেক প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান লেখকদের জন্য সাউথ এশিয়া স্পিকস মেন্টরশিপ প্রোগ্রামের আবেদন শুরু হয়েছে, যা চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
অনুবাদক আল্লামা ইকবালকে প্রশ্নহীন অপ্রতিরোধ্য আবেগ ও অনুরাগে অবিরাম আন্দোলিত করে উপস্থাপন করেননি। তিনি সচেষ্ট ছিলেন সর্বাধিক নির্মোহ থাকতে। পাঠক সে কারণে বিশ্বাস ও বেদনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এক ইকবালকে এ বইতে পাবেন।
নাৎসি শিবিরে বন্দীদের দিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজানোর ঘটনা কোনো কাব্যিক উদ্ভাবন ছিল না। বিভিন্ন ক্যাম্পে বন্দী সংগীতশিল্পীদের দিয়ে কাজের সময়, বাছাইয়ের সময়, এমনকি হত্যার আয়োজনের মধ্যেও সংগীত বাজানো হতো।
কথাসাহিত্যিক হাসনাত আবদুল হাই উপন্যাসের পরিবর্তনশীল ধরন ও তরুণ লেখকদের প্রেরণার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন।
জাহিদ হায়দারের কবিতা ‘প্রকৃতির অটোফিকশন’
শুভাশিস সিনহার রচিত ‘ছায়া’ কবিতাটি মানসিক দ্বন্দ্ব, স্মৃতি ও অনিশ্চয়তার এক গভীর যাত্রা বর্ণনা করেছে।
আদনান আলীর রচনা ‘পতিত পাথর’-এ জীবনের গন্তব্য, নিঃসঙ্গতা ও মানবিক যাত্রার দার্শনিক চিত্র ফুটে উঠেছে।
বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিস্মৃত মানুষ, পুরোনো সাময়িকপত্র, লোকসংস্কৃতি ও আঞ্চলিক ইতিহাসের নানা অনালোচিত অধ্যায় উদ্ধার করে চলেছেন গবেষক আবুল আহসান চৌধুরী। লালন ফকির, কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ও মীর মশাররফ হোসেনকে নতুন করে দেখার পাশাপাশি তাঁর গবেষণার পরিসর ছড়িয়ে আছে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিস্তৃত ভূগোলে। গবেষণার পথ, লালনচর্চা, বিস্মৃত ইতিহাস, বর্তমান গবেষণার সংকটসহ নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে মুক্তকণ্ঠের পক্ষে কথা বলেছেন ফিরোজ এহতেশাম।