প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু : দিনে গড়ে ১৪টির বেশি মরদেহ এসেছে
প্রবাসে মৃত্যু বাড়ছে। মৃত্যুর সনদে উল্লেখ করা কারণ স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা নেই।
প্রবাসে মৃত্যু বাড়ছে। মৃত্যুর সনদে উল্লেখ করা কারণ স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা নেই।
একসময় বিদেশে চাকরির জন্য দালালকে খুঁজতে হতো গ্রামের বাজারে, চায়ের দোকানে, বাজারের মোড়ে কিংবা পরিচিত কারও উঠানে। এখন তাকে খুঁজতে হয় না, সে নিজেই এসে হাজির হয় স্মার্টফোনের পর্দায়। তার অফিসের সাইনবোর্ড নেই, ট্রেড লাইসেন্স দেখা যায় না, কখনো হয়তো নিজের আসল নামটিও জানা যায় না। আছে একটি ফেসবুক পেজ, কয়েকটি চকচকে ছবি, বিদেশি পতাকা, ‘ফ্রি ভিসা’, ‘নিশ্চিত চাকরি’, ‘মাসে এক লাখ টাকা বেতন’—আর আছে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। বাংলাদেশের শ্রম অভিবাসনের পুরোনো দালালি তাই বিলীন হয়নি, বরং প্রযুক্তির সঙ্গে তার নতুন রূপ হয়েছে।
অতীতের মতো এবারও কি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কয়েকটি এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে গিয়ে নতুন কোনো সিন্ডিকেট তৈরি করবে?
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, অতি দ্রুত মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হাসিনা সরকারের পতনের পর প্রবাসীদের ভূমিকা, ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’-এর সময়কার প্রভাব এবং রিভার্স ব্রেন ড্রেন ধারণা—এসবকে কেন্দ্র করে মতামতভিত্তিক বিশ্লেষণ।
তাপপ্রবাহ, হিটস্ট্রোক ও কর্মী সংকট মোকাবিলায় জাপানের নির্মাণশিল্পে নিরাপত্তা, প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বিত ব্যবহারের বিস্তারিত প্রতিবেদন।
সৌদি আরবে ১২ বছর কর্মরত থেকে অর্জিত সব অর্থ স্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছিলেন জামাল উদ্দিন। তবে কিডনি জটিলতাসহ অসুস্থ অবস্থায় দেশে ফেরার পর তাকে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী ও সন্তানদের বিরুদ্ধে।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে কর্মরত অবস্থায় ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার প্রবাসী শ্রমিক মিল্লাত হোসেন মারা গেছেন। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
মালয়েশিয়ায় এক প্রতিষ্ঠানে বেতন বকেয়া ও পাসপোর্ট আটকে রাখার অভিযোগ বাংলাদেশি শ্রমিকদের।
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা প্রবাসী কর্মীরা। আমরা তাদের গর্ব করে ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ বলি। কিন্তু একটু বুকের ওপর হাত রেখে ভাবলে প্রশ্ন জাগে-আমরা কি সত্যিই তাদের জন্য একটি ন্যায্য, নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স।
ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।
লেবাননের নাবাতিয়ের যেব্দিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি কর্মী নিহত হয়েছেন। তারা সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা। বাংলাদেশ দূতাবাস শোক প্রকাশ করে তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রবাসী সম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো প্রশাসনিক কাঠামোর উন্নয়ন। প্রচলিত সরকারি কর্মকাণ্ড সাধারণত একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
অভিবাসনপ্রত্যাশীরা বৈধ চুক্তিতে বিদেশে গেলে সমস্যা অনেকাংশেই সমাধান হয়ে যায়। বিদেশে যাওয়ার আগে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রশিক্ষিত হওয়ার কাজটি বেশি জরুরি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও কম খরচে জনশক্তি পাঠানোর উপর জোর দিয়ে তিনি সিন্ডিকেটমুক্তকরণের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীরা উভয় পক্ষেই আন্তরিকতা দেখিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফরিদপুরের দিপালী বেগম নিজের বিয়ে না করে ভাইবোনদের বিয়েতে আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। ছোট বোন লাইজু বেগম প্রকাশ করেছেন পরিবারের জন্য তাঁর আত্মত্যাগের গল্প। ৮ এপ্রিল বৈরুতে বোমা হামলায় প্রাণ হারান তিনি।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শ্রমবাজার খোলা, অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং স্বচ্ছ নিয়োগ নিয়ে দুই দেশের ফলপ্রসু বৈঠক হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে এআই-ভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা চালু এবং শ্রমিক শোষণ রোধের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়। বৈঠকে বাণিজ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতা জোরদারের আলোচনাও হয়।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো ব্যাহত হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বিভিন্ন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে কর্মী রপ্তানি, নারী কর্মীদের নিরাপত্তা ও মালয়েশিয়ায় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেন।
আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসন বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। প্রতিবছর অনেক বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যান।
যুদ্ধের মধ্যে লাখো পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নির্মাণশ্রমিক, গাড়িচালক এবং নিরাপত্তাপ্রহরীই উপসাগরীয় দেশগুলোর চাকা সচল রেখেছেন। কিন্তু তাঁদের কাজ করতে হচ্ছে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে।
গত বছর মার্চের প্রথম ১০ দিনে বিদেশ যেতে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৪৬ হাজার ৭৪৪ জন। এ বছর একই সময়ে নিয়েছেন ২১ হাজার ১২২ জন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বিস্তারে শ্রমবাজার, ফ্লাইট যোগাযোগ ও রেমিট্যান্স ঝুঁকিতে বাংলাদেশি কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।