শরীয়তপুরে ভাঙনে বাঁধের ৫০ মিটার বিলীন, সরানো হচ্ছে বাজারের দোকান
লিয়াকত প্রধানিয়া ৪০ বছর ধরে পদ্মা নদীতে মাছ ধরেন। প্রতিদিন সকালে সেই মাছ বিক্রি করেন শরীয়তপুরের নড়িয়ার সুরেশ্বর মাছের বাজারে।
লিয়াকত প্রধানিয়া ৪০ বছর ধরে পদ্মা নদীতে মাছ ধরেন। প্রতিদিন সকালে সেই মাছ বিক্রি করেন শরীয়তপুরের নড়িয়ার সুরেশ্বর মাছের বাজারে।
বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করতে কবরস্থানে এসেছিলেন মো. আমিন উদ্দিন মোল্লা। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন, দিনকয়েক আগেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে তাদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন কেয়াইন ইউনিয়নের বড় বর্তা গ্রামের অন্তত ১৫টি পরিবার। আকস্মিক ভাঙনে গফুর শেখের একটি টিনের বসতঘর আসবাবপত্রসহ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।...
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নে সারা বছরই যমুনা নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় চরম সংকটে রয়েছেন এই অঞ্চলের মানুষ। ইতোমধ্যে বাড়িঘরসহ বহু স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নিঃস্ব হয়ে গেছে শত শত...
সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে নদীর তীরে থাকা চৌহালী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়টি এখন বিলীন হওয়ার আশঙ্কায়। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা...
জামালপুরের ইসলামপুরে ২৯ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত জরুরি প্রতিরক্ষা বাঁধ মাত্র ২৯ দিনেই ধসে পড়েছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
দুই থেকে তিন মাসের ব্যবধানে বিষখালী নদীর ভাঙন ঝালকাঠির নলছিটির চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ থেকে ১৫০ গজের মধ্যে চলে এসেছে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়গুলোর খেলার মাঠের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। জোয়ারের...
আব্দুস সামাদ সরদারের মতো দেবগ্রাম ও কাওয়ালজানি গ্রামের প্রায় ১০০ মানুষের বাড়িঘর ভাঙনের ঝুঁকির মধ্যে।
বন্যা, নদীভাঙন ও মাটির ক্ষয় ঠেকাতে সড়ক, বাঁধ ও নদীতীরে বিন্না ঘাস ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখছে সরকার।
মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে শত শত পরিবার নিঃস্ব ও বিপন্ন। স্থানীয়রা টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বাবুগঞ্জে শুধু দুটি বিদ্যালয় নয়, ভাঙনের মুখে রয়েছে বসতবাড়ি, বাজার ও দোকানপাটও।
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে যমুনার তীব্র ভাঙনে ১০-১২টি পরিবার গৃহহীন হয়েছে, ঝুঁকিতে আরও ২০০ পরিবার ও বিভিন্ন স্থাপনা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের চারটি গ্রামে প্রায় এক থেকে দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাস রোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
ভাঙন ঠেকাতে নদীর তীরে অল্প কিছু জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। কোথাও পুরোনো বালুর বস্তা পড়ে আছে, কোথাও নতুন করে পাড় রক্ষার চেষ্টা চলছে। তবে স্থানীয় লোকজন বলছেন, ভাঙনের তুলনায় এই প্রতিরোধব্যবস্থা খুবই সীমিত।
ফরিদপুর সদর উপজেলার কবিরপুর চরে পদ্মার ভাঙন রোধে ১৩০ মিটার এলাকায় জিওব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যমুনা নদীর ভাঙনে দুই শতাধিক বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও ২ হাজার বিঘা আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।
পদ্মা নদীর নির্মাণাধীন তীর রক্ষা বাঁধের তিনটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পদ্মার পানি ও স্রোত বাড়ায় গত সাত দিনে নদীতে বিলীন হয়েছে বাঁধটির অন্তত ২০০ মিটার অংশ।
সন্দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের নতুন জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ ভূমি স্থানীয়ভাবে সবুজচর নামে পরিচিত। এর পশ্চিমে রয়েছে আরও নতুন একটি চর, স্থানীয় মৎস্যজীবী ও রাখালদের দেওয়া নাম ‘ডোবাচর’। উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৩ কিলোমিটার ও পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় চার কিলোমিটার বিস্তৃত এই চর জোয়ারে ডুবে গেলেও ভাটায় জেগে ওঠে।
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বন্যা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার মতো ঝুঁকি বাড়ার কথা বলেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জলবায়ু সহনশীল পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান।
নির্মাণের ৯ বছরের মাথায় সেই সড়কের দেড় কিলোমিটার অংশের প্রায় ৯০ শতাংশই নদীগর্ভে চলে গেছে।
বিষখালী ও গজালিয়া নদীর ভাঙনে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দ্বীপে পরিণত হয়েছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রাম। বর্তমানে মাত্র ৪৫টি পরিবার সেখানে বসবাস করছে, যাদের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তা ও ভাঙনের আতঙ্কে কাটছে।
ফটিকছড়ির হালদা, ধুরুং ও সর্তা নদীর ২৩টি পয়েন্টে ভাঙনের ফলে হাজারো বসতবাড়ি ও কৃষিজমি ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থায়ী বাঁধের দাবিতে স্থানীয়দের আকুতির মুখে জরুরি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গত ১৫ বছরে অন্তত ১১০টি পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। বর্তমানে মাত্র ২০টি পরিবারের বসতঘর টিকে আছে।