শান্তিনগর ও হাতিরপুলের বৃষ্টিভেজা কিছু স্মৃতি
শান্তিনগর ও হাতিরপুলের বৃষ্টিভেজা রাতে দুই হৃদয়ের অপূর্ণতা ও অপেক্ষার এক কাব্যিক আখ্যান।
শান্তিনগর ও হাতিরপুলের বৃষ্টিভেজা রাতে দুই হৃদয়ের অপূর্ণতা ও অপেক্ষার এক কাব্যিক আখ্যান।
বৃষ্টির জলতেষ্টা এবং তার অস্তিত্বের দহন ও যাত্রাপথের এক কাব্যিক আখ্যান।
প্রেম, বিরহ এবং যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত এক কাব্যিক সংকলন, যেখানে মানুষের অন্তরের গভীরে লুকিয়ে থাকা কষ্ট ও আকুলতার কথা বলা হয়েছে।
হরপ্পা লিপির মতো দুর্বোধ্য তোমার মন প্রচলিত ব্যাকরণে তবু পাঠ করি, ভুল পাঠে বারেবারে প্রেম ভেঙে যায়—
শূন্যতা, বিরহ এবং যন্ত্রণার এক কাব্যিক বহিঃপ্রকাশ, যেখানে প্রিয়তমার অনুপস্থিতিতে আর্তনাদ ও মৃত্যুনাদের সুর ধ্বনিত হয়েছে।
যেভাবে সবাই ‘আসি’ বলে কেটে পড়ছে মেঘের ওপারে, তাতে মনে হয় বন্ধু বলে কেউ আর থাকবে না; অচিরেই সহমর্মিতার ঝাড়ে বাসা বাঁধবে ডেঁয়ো পিপড়া, লাল গিরগিটি!
বেঁচে থাকার আতঙ্কে দিন কাটে বেঁচেই কেন থাকতে হবে ভাই? সমাজ এবং রাষ্ট্র ছেড়ে আমি আমার শিশুর সঙ্গে বাঁচতে চাই।
সীমান্তের ওপারে অস্ত্রধারী রক্ষীরা শত্রু ঠাওরে একদল নারী–পুরুষকে ঠেলে দিল সীমান্তের এপারে এপারে দণ্ডায়মান রক্ষীরাও প্রস্তুত ছিল, সাফ জানিয়ে দিল, ‘ওরা আমাদের কেউ নয় ’ চারপাশে প্রতিধ্বনি ওঠে—‘ওরা আমাদের কেউ নয়’।
গভীর আদিবাসী ছায়াবন সবুজ ছিঁড়ে উপড়ে ফেলেছে অনেক অভিবাসী মুঠি। পাহাড়ের কঙ্কাল পড়ে আছে বুকে লক্ষ দাঁতের দাগ–আঁচড় গাছে গাছে কুঠার ও কষ অদূরেই নয়া টাউনশিপ— মাটিতে ভরাট পথ রিসোর্ট বাজার নতুন কালভার্টে ঝিরি বুজে গেছে।
কেন আমি মরতে যাব, কেন সেধে মারা পড়ব সকালে সন্ধ্যায়। আমার ছোট্ট একটা প্রাণ, টুপ করে ঝরে পড়তে পারি। সে–ও এক মায়ের কোলেই ফেরা হবে। মায়ের জঠরে ছিলাম আমি, মৃত্যুরও জঠর আছে। মৃত্যুও মা আমার। যাকে কোনো দিন দেখিনি। জানি দেখব। প্রতিটা মুহূর্তে সে এগিয়ে আসছে আমার দিকে। দেখা তো হবেই।
দেখাবে বিধৌত আর শোনাবে মরচে পড়া বিরহের জিয়নকাঠি প্রবাহিত ইচ্ছামাফিক ফিরে হই মরণকাঠি ঘিরে হই বিস্মরণের ভূমিষ্ঠকালীন ক্রিয়ার গোলাকার চিহ্ন এবং সবিশেষ বক্ররেখায় চেপে বসি নিয়মসিদ্ধ সমূহ বর্তুলাকার সে রেখায় বিদ্ধকারী
পীড়িত দুরন্ত পাখি সংশয়ে সাহস নিষ্প্রভ শূন্যতা! নিজস্ব স্রোতস্বতী একাকী লুকোচুরি— অদ্ভুত ভুতুড়ে খাঁচা ভেঙে দুর্বার জলযান।