এক গভীর বিষাদ ও আকুলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে একটি কাব্যিক প্রার্থনায়, যেখানে প্রিয়তমার অনুপস্থিতিকে মেনে নিয়েও এক ধরণের উন্মাদনার মধ্য দিয়ে তাকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। লেখকের ভাষায়, "তুমি নেই এই সত্য জেনেমজনুন আমি সেজদায় তবুতোমারই নামজারি করি।" শূন্যতার মাঝেও এক ধরণের সুরের সন্ধান করা হয়েছে এই লেখায়।

কবিতাটিতে বিরহ ও যন্ত্রণার এক তীব্র চিত্র ফুটে উঠেছে। সেখানে বলা হয়েছে, "তুমি শূন্য মন্দিরের ঘণ্টার ধ্বনি হয়েঅবজ্ঞার সেরেনাদে কোথায় যে মিলাও!" নিজের ব্যর্থতা এবং স্বেচ্ছামৃত্যুর কথা উল্লেখ করে লেখক লিখেছেন, "আমি তবু স্নায়ুর রক্ত ছিঁড়েউন্মীলিত কণ্ঠপুঞ্জ তোমার দিকেই মেলে ধরিহে আমার ব্যর্থতা, হে আমার স্বেচ্ছামৃত্যুররক্তশূন্য সেরেনাদ!"

পুরো লেখায় এক ধরণের অলৌকিক সুরের প্রত্যাশা এবং চূড়ান্ত আর্তনাদের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। কবিতার শেষাংশে লেখা হয়েছে, "তুমি বাজাও তোমার আঙুলের অলৌকিকেনবম সিম্ফনি; আমি শুনি আর দিন গুনি,বধির দিনের স্তব্ধতা ছিঁড়ে বাজুক আর্তনাদ!সেরেনাদ! ওহে মৃত্যুনাদ!"