একসঙ্গে কাজ করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ প্রয়াস বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ প্রয়াস বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
বিদেশে পড়াশোনার টিউশন ফি ও অন্যান্য অনুমোদিত শিক্ষা খরচ পরিশোধে আন্তর্জাতিক ডেবিট, প্রি–পেইড ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুবিধা ভ্রমণ কোটার বাইরে আলাদাভাবে বিবেচিত হবে।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রীরা এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৭.৩৯ শতাংশে।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাসের হারে শীর্ষে ফেনী জেলা এবং সর্বনিম্ন নোয়াখালী জেলা অবস্থান করছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সেরা দশে ষষ্ঠ এবং তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে রাঙামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। শতভাগ পাসের পাশাপাশি ৫৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় ৫০ হাজার ৪৩৬ জন ফেল করেছেন। মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম (৫০.৬১%) এবং সামগ্রিক পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কমে ৬৬.৬৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং শতভাগ পাস করা বিদ্যালয়ের সংখ্যাও।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৮টি বিদ্যালয়ের ১২৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন, যা নিয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি; সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বোর্ড।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আটটি জেলার মধ্যে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় শীর্ষস্থান দখল করেছে বগুড়া জেলা।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়া যায় না। তিনি বলেন, এবার যে নম্বর পেয়েছে সেটাই দেওয়া হয়েছে এবং খাতা পুনঃপরীক্ষা বা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে ১৫টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করলেও ৫টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।