টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ার বৃদ্ধিতে আবারও ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক
টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারমূল্য বৃদ্ধির ফলে ইলন মাস্ক আবারও ১ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক হয়ে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ারের খেতাব ফিরে পেয়েছেন।
টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারমূল্য বৃদ্ধির ফলে ইলন মাস্ক আবারও ১ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক হয়ে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ারের খেতাব ফিরে পেয়েছেন।
এক দিনেই ইলন মাস্কের সম্পদ বেড়েছে ৬১ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের বাজেটের প্রায় ৮০ শতাংশের সমান।
স্পেসএক্সএআই চ্যালেঞ্জে তাঁদের তৈরি মহাকাশ নিরাপত্তাবিষয়ক প্রকল্প ‘স্কুটারিস’ সেরা দুটি প্রকল্পের একটি নির্বাচিত হওয়ায় পুরস্কার হিসেবে স্পেসএক্সের প্রকৌশলীদের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছেন তাঁরা।
মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক ২০০২ সালে স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় তাঁর উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য ছিল মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপন।
স্পেসএক্সের রকেট ট্যাক্সি প্রযুক্তি মহাকাশ যাত্রাকে করছে সহজ ও সাশ্রয়ী। ফ্যালকন হেভি রকেটের মাধ্যমে রোমান স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ ও বুস্টারের সফল অবতরণ মহাকাশ গবেষণায় নতুন মোড় নিয়ে এসেছে।
ইলন মাস্ককে নিয়ে নির্মিত অ্যালেক্স গিবনির প্রামাণ্যচিত্র ‘মাস্ক’ ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের পর সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।
ঘণ্টায় প্রায় ৫ হাজার ৪০০ মাইল গতিতে চাঁদের উপরিভাগে আছড়ে পড়েছে স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটের পরিত্যক্ত অংশ, যার ফলে তৈরি হয়েছে গভীর গর্ত।
আগামী সপ্তাহে চাঁদের পৃষ্ঠে আছড়ে পড়বে স্পেসএক্সের একটি পরিত্যক্ত রকেট, যার ফলে তৈরি হতে পারে বিশাল গর্ত।
স্পেসএক্স সফলভাবে স্টারশিপ রকেটের ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সম্পন্ন করেছে, যা নাসার আর্টেমিস ৩ মিশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পুরোনো স্যাটেলাইটের কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়াতে রোবোটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশেষ সার্ভিসিং মিশন শুরু করেছে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।
স্টারশিপ রকেটের উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হওয়ায় স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম রেকর্ড তলানিতে নেমেছে, যার ফলে এক দিনেই ইলন মাস্কের সম্পদমূল্য কমেছে ৪৫ বিলিয়ন ডলার।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর উড়তে থাকা স্পেসএক্সের শেয়ার এক মাসেই ৩৫ শতাংশ কমেছে।
মহাকাশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) বিশাল কম্পিউটিং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা কথা জানিয়েছেন ইলন মাস্ক।
স্পেসএক্সের আইপিওর পর বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়া প্রযুক্তি মোগল শেয়ারবাজারে ধসের কারণে আবার বিলিয়নিয়ারের তালিকায় নেমে এসেছেন।
অ্যামাজনকে পেছনে ফেলে বাজারমূল্যে বিশ্বের পঞ্চম শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন মহাকাশ গবেষণা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।
এক্সএআইয়ের সাবেক এক প্রকৌশলী অভিযোগ করেছেন, প্রতিষ্ঠানটির তৈরি গ্রোক চ্যাটবটের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করায় তাঁকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসর ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ব্যবহার করতে চুক্তি করেছে গুগল।
২০০৮ সালে স্পেসএক্স তাদের ফ্যালকন ১ রকেট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হয়।
স্পেস এক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটের চার টন ওজনের পরিত্যক্ত অংশ ৫ আগস্ট চাঁদের আইনস্টাইন ক্রেটারের প্রান্তে ২.৪৩ কিমি/সেকেন্ড গতিতে আছড়ে পড়তে পারে। বিজ্ঞানীরা লুনার রিকনাসেন্স অরবিটার দিয়ে ছবি তুলে চাঁদের মাটির গভীরতা গবেষণা করবেন। এ ঘটনা মহাকাশ আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় প্রশ্ন তুলেছে।
পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে মহাকাশে ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করেছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স।
ইলন মাস্কের সঙ্গে অন্য ধনীদের ব্যবধান কেবল বাড়ছেই। বাস্তবে মাস্ক এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে।