আজ জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস
সারাদেশে আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৬’। এবছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’।
সারাদেশে আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২৬’। এবছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’।
ব্যাংক খাতের সংকট মোকাবিলায় সুশাসন, পেশাদার ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার ওপর জোর দিয়েছেন সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ।
ব্যাংকিং খাতে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র ও প্রভাবশালী ধনিক গোষ্ঠীর যোগসূত্র ছিন্ন করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ। তাঁর মতে, যোগসাজশের কারণেই ব্যাংক থেকে বিপুল অর্থ লুট ও পাচার সম্ভব হয়েছে।
সুশাসন নিশ্চিতে ব্যাংক খাত সংস্কার করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ অবস্থায় এনসিসি ও এসবিএসি ব্যাংক তাদের চেয়ারম্যান পরিবর্তনের মাধ্যমে নীতি বদলেছে।
গত মাস শেষে ব্যাংকটির আমানত প্রথমবারের মতো এক লাখ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে যায়। গত কয়েক বছরে দ্রুত বেড়েছে ব্যাংকটির আমানত।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেছেন, সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয় আর্থিক লেনদেন এড়াতে লটারি প্রথা ও দুর্নীতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, গত সরকারের সময় স্বজনপ্রীতির কারণে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দলীয় মনোভাবাপন্ন কয়েকজনের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হতো, ফলে অনুমোদনের পরদিনই তা 'মৃত' হয়ে যেত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ সফল করতে স্বচ্ছ নির্বাচন, বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও কর্মদক্ষতার সঙ্গে যুক্ত ধাপে ধাপে অর্থায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।
অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী বলেছেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান অসমাপ্ত; কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও সুশাসন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এই চ্যালেঞ্জগুলোর অনেকগুলোর সমাধান শুধু নতুন হাসপাতাল নির্মাণ, চিকিৎসক নিয়োগ কিংবা নতুন যন্ত্রপাতি কেনার মাধ্যমে সম্ভব নয়।
কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও রংপুর জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি ও মাদক প্রতিরোধ, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় আরও জোরদার করার...
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকদের পদোন্নতি অদৃশ্য কারণে দীর্ঘদিন আটকে
দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা, সুশাসন ও উন্নয়ন তদারকির জন্য ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপকে ৬৪ জেলায় সরকারি কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা, মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকি করবেন।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ছয় মাসেও বেতন-ভাতার সিদ্ধান্ত না হওয়া নিয়ে আর্থিক সক্ষমতার ঘাটতি এবং ঝুলিয়ে রাখার ফলে জটিলতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সিপিডির ‘রিফর্ম ট্র্যাকার’-এ বিভিন্ন সুশাসন উদ্যোগও মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
জিইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ঢিলেঢালা ভূমিকা ও যাচাই-বাছাই ছাড়া ঋণ দেওয়ার সংস্কৃতির কারণে ব্যাংক খাতের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের গত ছয় মাসের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনের বক্তব্য।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অতীতে ক্ষমতার বাইরে থেকে রাজপথে আমরা যেভাবে সুশাসন ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, ঠিক একইভাবে ক্ষমতাসীন হিসেবে আজ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা সুশাসন নিশ্চিত করতে জীবন বাজি রেখে কাজ করছেন। শহীদের আত্মত্যাগ তখনই সার্থকতা পাবে, যখন আমরা গণতান
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, চব্বিশের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে প্রত্যাশা জেগে উঠেছিল, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা জন্ম নিয়েছিল, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মানুষের সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন হয়নি।
‘গত ২৫ বছরে আমরা ২০ লাখের বেশি এসএমই উদ্যোক্তাকে ঋণ দিয়েছি। এই অর্থায়ন এক কোটির বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। তাই আমরা নিজেদের শুধু একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে দেখি না, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশীদার হিসেবেও দেখি।’
আর্থিক স্বাধীনতা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করে। এই চিন্তায় ভ্রান্তি থাকতে পারে। কিন্তু বিচার বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দকে রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশলগত বিনিয়োগ(স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টমেন্ট) বিবেচনা করা হয়, এটি অভ্রান্ত সত্য।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সরকার গঠনের পর দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
বিআইজিডি পরিচালিত দুর্দিনের ডায়েরি এবং ডেটা অ্যান্ড এভিডেন্স টু অ্যান্ড এক্সট্রিম পভার্টি নামক গবেষণায় উঠে এসেছে, গ্রামের ক্ষুদ্র চাষি, যাঁর নিজের আবাদি জমি নেই কিংবা নদীর ভাঙনে সব তলিয়ে গেছে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাড়িঘর হারিয়েছেন, এই সব জনগোষ্ঠী শহরমুখী হন কাজের সন্ধানে। অনেকেই আক্ষেপের স্বরে বলেছেন, তাঁরা ফিরে যেতে চান নিজের গ্রামে কিন্তু কাজের সুযোগ নেই বলে ফিরতে পারছেন না।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলেছে, তাদের প্রতিবেদনকে শুধু পত্রিকার ‘কাটিং–নির্ভর’ বলার কোনো ভিত্তি নেই।