মাঝপথে সংবিধান সংশোধন কমিটির সভা বর্জন করল রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন
সংবিধান সংশোধন বিষয়ে সরকারের উদ্যোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে সভা বর্জন করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও বিরোধী দল।
সংবিধান সংশোধন বিষয়ে সরকারের উদ্যোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে সভা বর্জন করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও বিরোধী দল।
ঘর থেকে সংসদে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে নারী সংহতি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের রাষ্ট্র সংস্কারে গণমাধ্যমের সক্রিয় সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।
পুলিশের অনুমতিহীন কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পূর্বঘোষিত গণসমাবেশ বাতিল হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ব্যক্তির পরিবর্তন হলেও রাষ্ট্রের কাঠামোয় গুণগত পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের মানুষের মানসিকতায় বড় পরিবর্তন আনলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাহিদ হোসেন।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা ও অদূরদর্শিতার সুযোগে বর্তমান সরকার জনগণের ওপর চড়াও হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন হাসনাত কাইয়ূম। পাশাপাশি তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ যে রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রত্যাশা করেছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিরোধী দলগুলোর অবস্থান মানুষ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে না। তিনি রাজনৈতিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর জোর দেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘাতের বিষয়ে সতর্ক করেন।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ডক্টরাল গবেষণার সুপারভাইজার মাইকেল বিগস প্রায়ই জিজ্ঞেস করেন, আমরা জুলাইকে ‘অভ্যুত্থান’ কেন বলি, ‘বিপ্লব’ কেন বলি না?
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অভ্যুত্থান রক্ষায় সক্ষম রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের গণভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পরে এসে অর্জন ও অপ্রাপ্তির খতিয়ান নেওয়া কীভাবে জরুরি রাজনৈতিক দায়ে পরিণত হয়—সেই বিশ্লেষণ।
আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে—এমন হুমকি দিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। পাশাপাশি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবি তুলে তিনি রাষ্ট্রসংস্কার ও বিচার বাস্তবায়নে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগও করেছেন।
মাহদী আমিন বলেন, আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে তাঁরা যে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই আদর্শ ও মূল্যবোধ ধারণ করা সম্ভব।
রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা কমিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স প্রতিষ্ঠা করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম।
রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদ ও অর্থনৈতিক লুটপাট একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সংবিধানের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সুফল রক্ষায় ছাত্রসমাজকে সতর্ক থাকতে হবে।
জুলাই আদেশ অনুযায়ী ১৫ মার্চের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা থাকলেও তা হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে ১৮০ দিনের মধ্যে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছেন ৬৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
রাষ্ট্র সংস্কার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে জনগণ আবারও পঙ্গপালের মতো সংসদ ভবন ঘেরাও করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এনসিপি আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। পথসভায় সরকারকে হুঁশিয
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে গতানুগতিক সংশোধনের পথে হাঁটার মাধ্যমে সরকার রাজনৈতিক প্রতারণার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে বলে মনে করছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমরা প্রতারিত হয়েছি। আমাদের প্রতারণার ইতিহাসও দীর্ঘ।’
রাজনৈতিক নেতারা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে জনগণের গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে সংস্কার নিয়ে কথাবার্তা নতুন বিষয় নয়। ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, কর প্রশাসনকে আধুনিক করা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা কিংবা সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ করার দাবি বহুদিনের।
রাষ্ট্র সংস্কারের গতিপ্রকৃতি নিয়ে বাংলাদেশের জনপরিসরে তর্কবিতর্ক এখনো চলমান। সম্প্রতি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী রীয়াজের একটি সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়ায় গবেষক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার একটি প্রবন্ধে কিছু জরুরি প্রশ্ন তুলেছেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের নিয়ে ফোরাম গঠনের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের কথা বলেছেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।