মনোযোগ দিয়ে শোনা: নবীজির জীবনের এক অনন্য সুন্নত
নবীজির ছোট কামরার এক কোণে বসা ছিলেন আয়েশা (রা.)। খাওলা এত বিনীত আর নিচু স্বরে কথা বলছিলেন যে পাশে বসেও তাঁর সব কথা তিনি শুনতে পাচ্ছিলেন না।
নবীজির ছোট কামরার এক কোণে বসা ছিলেন আয়েশা (রা.)। খাওলা এত বিনীত আর নিচু স্বরে কথা বলছিলেন যে পাশে বসেও তাঁর সব কথা তিনি শুনতে পাচ্ছিলেন না।
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনার তাইবাহ বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুতিদের ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
মদিনায় পবিত্র মসজিদে নববির বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার অভিযোগ তুলেছে সৌদি জোট, যা অস্বীকার করেছে হুতি বিদ্রোহীরা।
মক্কায় হুতিদের ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করে প্রচারিত ভিডিওটি আসলে ২০২৫ সালের মদিনার একটি ঘটনার দৃশ্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে সকল রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
মদিনায় পৌঁছে রাসুল (সা.) নতুন নগরবাসীকে কী বার্তা দিয়েছিলেন? মাত্র চারটি গভীর মানবিক মূলনীতির ওপর তিনি গড়ে তুলেছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে ইনসাফপূর্ণ ও শান্তির সমাজ।
মদিনা ও তার আশপাশের পাহাড়ি উপত্যকায় (বিশেষ করে ওয়াদি আকিক অঞ্চলে) আবিষ্কৃত অষ্টম শতাব্দীর প্রাচীন পাথুরে শিলালিপিতে এই শহরকে স্পষ্টভাবে ‘তাইয়িবা’ নামের উল্লেখ করা হয়েছে।
মনীষীরা এই পুণ্যভূমিতে প্রবেশের সময় গভীর বিনম্রতা বজায় রাখতেন। বর্তমানে উড়োজাহাজ, ট্রেন বা বাসে যাতায়াত স্বাভাবিক; তবে অন্তর যেন শ্রদ্ধা ও সমর্পণে পূর্ণ থাকে।
যুদ্ধবন্দীর সন্তান হিসেবে মদিনায় জন্ম নেওয়া হাসান বসরি (রহ.) কীভাবে তাঁর জ্ঞান, তাকওয়া এবং সাহাবিদের সান্নিধ্যে তাবেয়ি যুগের শ্রেষ্ঠ মনীষী ও জাতির বিবেকে পরিণত হলেন, তার জীবনচরিত।
মক্কার হারামে এক রাকাত নামাজের সওয়াব অন্য মসজিদের চেয়ে এক লাখ গুণ বেশি এবং মদিনার মসজিদে নববিতে এক রাকাত নামাজের সওয়াব এক হাজার গুণ বেশি।
মদিনা ছিল একটা উর্বর মরূদ্যান, যেখানে খেজুরবাগান ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি একটি নতুন জনগোষ্ঠীকে খাদ্য-নিরাপত্তা দেওয়ার সামর্থ্য রাখত। যা মক্কার শুষ্ক, বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতিতে ছিল না।
‘মদিনা মুনাওয়ারা’ হলো প্রিয় নবীজি (সা.)-এর প্রিয় শহর; শান্তির নগর। মদিনার পূর্ব নাম ইয়াসরিব। নবীজি (সা.)-এর হিজরতের পর এই স্থানের নাম হয় মদিনাতুন্নবী বা নবীর শহর।
জিলহজের ৪ তারিখ মক্কায় প্রবেশ করে নবীজি (সা.) তাওয়াফ ও সাঈ সম্পন্ন করেন। ৮ জিলহজ মিনায় এবং ৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে তপ্ত রোদের নিচে দাঁড়ান।
কোরআন ও হাদিস থেকে মক্কা ও মদিনার এমন কিছু নির্দিষ্ট স্থান ও মুহূর্তের কথা জানা যায়, যেখানে দোয়া কবুল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
মক্কা ও মদিনার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের তালিকা। হজযাত্রীরা এসব ঐতিহাসিক স্থানে জিয়ারত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এসব স্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
তাবুক যুদ্ধে অনুপস্থিত তিন সাহাবির তওবার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। তারা কোনো অজুহাত না দিয়ে সত্য স্বীকার করেন এবং ৫০ দিনের বয়কটের পর আল্লাহ তওবা কবুল করেন। এ ঘটনা থেকে সৎকাজে দেরি না করা, সত্যের পথ অনুসরণ ও প্রকৃত অনুশোচনার শিক্ষা পাওয়া যায়।
বর্তমানের সুশৃঙ্খল পুলিশি ব্যবস্থার যে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ আমরা দেখি, মদিনার পুণ্যভূমিতে তার আদি রূপ দেখা যায়। ইতিহাসবিদের মতে, এ থেকেই পুলিশি ব্যবস্থার বীজ বপন হয়।
হাজিদের কাছে দোয়া চেয়ে তাঁদের খরচে অর্থ দেওয়া সমাজে প্রচলিত। শরিয়তে এটি হাদিয়া বা সদকা হিসেবে জায়েজ, তবে চুক্তিভিত্তিক ব্যবসা নয়। ইসলাম এতে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন দেখে।
নবীজি (সা.)-এর প্রিয় উট কাসওয়া হিজরত, মসজিদে নববী নির্মাণ, হোদাইবিয়া সন্ধি সহ নবুয়তের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী ছিল। সিরাত-হাদিসে এর বিবরণ মর্যাদার সঙ্গে পাওয়া যায়। নবীজির ইন্তেকালের পর এটি শোকাহত হয়ে মারা যায়।
হিজরি নবম বছরে তায়েফের সাকিফ গোত্রের প্রতিনিধিদল মদিনায় এসে ইসলাম গ্রহণ করে। নবীজি (সা.)-এর প্রজ্ঞাময় আতিথেয়তা, ধৈর্যশীল আলোচনা ও নমনীয়তার মাধ্যমে এই ঘটনা ঘটে। এটি দাওয়াতের সঠিক পদ্ধতির শিক্ষা দেয়।
উম্মে সালামা (রা.) কেবল ধর্মীয় বিধানের সমাধানই দিতেন না, সাহাবিরা কোরআনের সঠিক তেলাওয়াতও তাঁর কাছ থেকে শিখতেন। বিভিন্ন মতবিরোধ মীমাংসায় তাঁর প্রজ্ঞাময় ফতোয়া সাহাবিদের নির্ভরযোগ্য পথনির্দেশক ছিল। হাদিসগুলোতে তাঁর ফকিহা ও শিক্ষকতার চমৎকার দৃষ্টান্ত সংরক্ষিত রয়েছে।
স্বাধীনতা ধরে রাখার জন্য তিনি অত্যন্ত নিপুণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। কেবল আক্রান্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকতেন না, বরং শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত দল পাঠাতেন।
হিজরির দ্বিতীয় বছরে রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। সেই বছর ১৭ রমজান বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন।