২০ জুলাই পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিল দমনে পুলিশের অভিযানের সময় বেশ
রাহুলের প্রশ্ন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পেলেট গানসহ প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন কি আপনি দিয়েছিলেন? যদি না দিয়ে থাকেন, তাহলে কে দিয়েছে?’
রাহুলের প্রশ্ন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পেলেট গানসহ প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন কি আপনি দিয়েছিলেন? যদি না দিয়ে থাকেন, তাহলে কে দিয়েছে?’
ভারতের ছাত্রদের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মোদি সরকারের দম্ভ এবং তার পরিণতির এক বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা।
এক সকালে জনৈক মুরব্বি অস্বস্তিকর সব স্বপ্ন থেকে জেগে উঠে দেখল...
অভিজিৎ দিপকে চাননি সিজেপি শুধু অনলাইন আন্দোলনে সীমাবদ্ধ থাকুক, তাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দিতে গত ৬ জুন তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরে আসেন।
টানা ৩৭ দিনের লড়াই-সংগ্রাম শেষে দাবি আদায়ের পর আন্দোলনমুক্ত জীবনের প্রথম নতুন সকালে দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘সবে তো শুরু হলো। আমাদের এখনও অনেক দূর যেথে হবে।’ এদিন প্রকাশিত এক
সিজেপির তরুণ সমর্থকেরা র্যাপ সংগীত, প্ল্যাকার্ড ও দেয়াললিখনের মাধ্যমে প্রকাশ্যেই মোদিকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগেও এমন ঘটনা প্রায় অকল্পনীয় ছিল।
বিজয় উদ্যাপনকারীদের মধ্যে ছিলেন ২৬ বছর বয়সী সুরজ এলামন। তিনি বলেন, একটি ছাত্র আন্দোলন কী ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে, এটি তারই প্রকৃত প্রতিফলন।
বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটল। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে নেতারা। শনিবার (২৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপির উচ্চপর্যায়
দেশের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে হিন্দিতে লেখা একটি চিঠি এক্সে পোস্ট করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
সরকার তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে অচলাবস্থা আরও জোরালো হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ্।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এখন খুব সামান্য এক দাবি। লড়াইয়ের পরিধি এখন অনেক বড়। ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত গোটা শাসনব্যবস্থার পচন এখন স্পষ্ট, যা পচা লাশের মতো দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
‘এটি শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপের একটি অংশ। আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ যারা নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
ভারতে চিকিৎসা সংক্রান্ত ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তর চত্বর। আন্দোলন ও প্রতিবাদের এই উত্তাপ এবার দিল্লির গণ্ডি ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ছে দেশটির অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও। খুব শিগগিরই পশ্চিমবঙ্গেও
যদি সংসদে জনগণের প্রতিনিধি তাঁদের সমস্যা তুলে ধরতে না পারেন, সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে না পারেন, তাহলে সংসদের প্রয়োজন কী?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০৩১ সালের হুঁশিয়ারির জবাবে তৃণমূলের অস্তিত্ব মুছে ফেলার ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আবারও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আন্দোলনরত ছাত্রসমাজের প্রতিটি দাবি সমর্থন করে বলেছেন, গত এক দশকে ১৫৪টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে অথচ একজনও অপরাধী সাব্যস্ত হয়নি।
নিরাপত্তার কারণে দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চকসহ ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করেছে ডিএমআরসি।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মিছিল চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে এসআইটি গঠনের দাবিতে করা দুটি আবেদনের শুনানি বুধবার (২২ জুলাই) দিল্লি হাইকোর্টে শুরু হয়েছে।
শুধু ভারত বা বাংলাদেশ নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় তরুণ-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের ঢেউ বইছে। শ্রীলঙ্কায় ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটে তরুণদের আন্দোলনে সরকারের পতন ঘটে। নেপালেও একই ধরনের যুব আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়ার আগে তিন দিন ধরে যন্তর মন্তরে অবস্থান করেছেন সিদ্ধার্থ। তিনি বলেন, গত সোমবারের ঘটনাগুলো তাঁর সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেছে।
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি লাঠিপেটার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নাসিরুদ্দিন শাহ পুলিশ সদস্যদের ‘গুন্ডার মতো’ আচরণের কথা বলেছেন এবং শিক্ষার্থীদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ওয়াংচুকের পাশে বিরোধী শক্তির সমর্থন প্রায় নেই। আন্নার সময় সরকারকে চাপে ফেলতে বিরোধী দল এই আন্দোলনকে কাজে লাগিয়েছিল। কিন্তু এখন বিরোধীরা বিভক্ত ও কৌশলহীন। ওয়াংচুকের সাফল্যে কোনো রাজনৈতিক দলের সরাসরি লাভ নেই। আন্নার আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরাসরি লাভ হয়েছিল বিজেপির। সে সময় বিরোধী রাজনীতির প্রধান শক্তি হিসেবে তারাই এই আন্দোলনের ফল ভোগ করে।