কাগজে আছে ৪৮ হাজার কমিটি, বাস্তবে নেই মশা নিধন কার্যক্রম
ইউনিয়নের ওয়ার্ড থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ৪৮ হাজার কমিটির কথা থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশই নিষ্ক্রিয়, যা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউনিয়নের ওয়ার্ড থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ৪৮ হাজার কমিটির কথা থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশই নিষ্ক্রিয়, যা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে এডিস মশার বংশবিস্তারের ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, যার ফলে জেলা হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ছে এবং মৃত্যু ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে।
কীটতত্ত্ববিদদের আগাম সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে; এর পেছনে সরকারের শিথিলতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনার অভাব দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং চলতি বছরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০১ জনে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১২ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান উদ্বোধন করবেন।
জানুয়ারি থেকে আগস্টে তিন বছরের মধ্যে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণের তথ্য বলছে, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রস্তুতি, পরিকল্পনা ও উদ্যোগে ঘাটতি ছিল প্রবল।
এডিস মশার বংশবিস্তার ঠেকানোর এই ফাঁদের কাগুজে নাম ‘ডেন-এক্স ট্র্যাপ’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে প্রায় পাঁচ বছর গবেষণার পর তৈরি হয়েছে এই ফাঁদ।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠান ফরাস পেস্ট কন্ট্রোল থেকে ৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় এই আধুনিক কীটনাশক কেনা হয়।
ডেঙ্গুতে চলতি বছর ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।