
অলিম্পিকে বাংলাদেশের পতাকা ওড়াতে চান খই খই
২০১৮ সালে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলতে এসে প্রথম নজর কাড়েন খই খই।

২০১৮ সালে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলতে এসে প্রথম নজর কাড়েন খই খই।

দুর্গম পাহাড়ি ঢাল। একসময় সেখানে ছিল সেগুনগাছ আর বিভিন্ন আগাছা। কোনো আবাদ হতো না বললেই চলে। তবে এখন আর এমন নেই। এখন সেই জায়গাজুড়ে বরইগাছ। ডালে ডালে ঝুলছে থোকা থোকা ফল। চার বছরে এই পরিবর্তন এনেছেন রাঙামাটির কৃষক নীলকান্ত চাকমা (৬২)।

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন সংসদীয় আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর চেয়ে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে। তিন আসনে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ২৫ হাজার ৯০৩ জন। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৯১ জন। অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’–এর চেয়ে ‘না’ ভোট বেশি পড়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪১২টি।

আপন চাকমার বাড়ি রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের পাক্কুয়াখালী গ্রামে। রাঙামাটি সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে সম্প্রতি স্নাতক (সম্মান) শেষ করেছেন তিনি। পড়ালেখার সুবাদে তিনি থাকেন রাঙামাটি শহরের কালিন্দিপুরে।

জাহেদ উর রহমানের উপদেষ্টা হওয়ার খবরে চন্দ্রঘোনায় উচ্ছ্বাস।

জেএসএসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তব্য দেন ঊষাতন তালুকদার

রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ফল উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। কিন্তু এই অগ্রগতির চিত্র সব জেলায় সমান নয়। উৎপাদনের দৌড়ে বান্দরবান ও রাঙামাটি এগিয়ে থাকলেও খাগড়াছড়ি ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

মাত্র ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ের ঘটনা যেমন আছে, তেমনি দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ের নজিরও রয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান।

রাঙামাটিতে দুর্গম এলাকার ২০টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছে দিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এসব কেন্দ্রে সড়ক ও নৌপথে সরাসরি যোগাযোগব্যবস্থা নেই। গভীর বনাঞ্চল ও পাহাড়ি পথ দিয়ে এসব কেন্দ্রে যেতে হয়। নির্বাচনী সরঞ্জামের পাশাপাশি এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় জনবলও হেলিকপ্টারে পাঠানো হয়েছে।

১০ উপজেলার দুটি পৌরসভা ও ৫০টি ইউনিয়ন মিলে এ আসন গঠন করা হয়েছে। এতে মোট ভোটার রয়েছেন ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন।

নীলা চাকমার বাড়ি রাঙামাটি সদর উপজেলার মঘবান ইউনিয়নের দোখাইয়া এলাকায়। নিজের ভিটেমাটিতে গড়ে তোলা তাঁর অতিথিশালার নাম ‘গরবা গুদি’। চাকমা ভাষায় ‘গরবা’ মানে ‘অতিথি’, ‘গুদি’ অর্থ ‘কক্ষ’। গরবা গুদির যাত্রা শুরু হয় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

আইফোন ও মোটরসাইকেল কিনতে চেয়েছিলেন কলেজছাত্র। এ কারণে সাজান অপহরণের ‘নাটক’। কলেজে যাওয়ার কথা বলে নিজেই চলে যান আত্মগোপনে। এরপর বাবার কাছে চান পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ। রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।