
ফুফাতো ও মামাতো ভাই দিল ধার, মেয়ে–বোন–শ্যালিকাদের নিয়ে প্রচার
এ আসনে প্রার্থী ৮ জন। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থী।

এ আসনে প্রার্থী ৮ জন। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থী।

গুপ্ত-সুপ্ত নিয়ে কোনো জবাব দিতে চান না উল্লেখ করে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ফরিদপুরের জনসভায় বলেন, ‘এখানে উপস্থিত লাখো মানুষ—আপনারা কি সবাই গুপ্ত নাকি?’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘আল্লাহ যদি কামিয়াব করেন, আমরা ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। দুর্নীতি যখন থাকবে না, তখন সকল মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।’

ফরিদপুর–৪ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়ালেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা নিজের দল সামলাতে পারে না, তারা দেশও সামলাতে পারবে না। যারা নিজের দল সামলাতে পারে, তারাই ইনশা আল্লাহ দেশ সামলাতে পারবে।’

এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। ভোটার ৪ লাখের বেশি। নির্বাচনী এলাকার সব জায়গায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর ব্যানার–ফেস্টুন ও বিলবোর্ড রয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাদের অতীতেও খাসলত খারাপ ছিল, এখনো যারা লোভ সামলাতে পারেনি, সেই বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন? এরা রাষ্ট্রের জনগণের জান, মাল এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা দেবে? এখনই দিচ্ছে না, তখন দেবে?’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভয়ভীতি, নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকি, কালো টাকা বিতরণ এবং সাইবার হামলার অভিযোগ তুলেছেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

ঢাকা-৭ আসন থেকে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচারে এগিয়ে আছেন বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী।

দুই যুগ ধরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে যাঁরা ভোট দিয়ে আসছিলেন, তাঁদের একটি অংশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।

সরকার গঠন করলে জামায়াত চাঁদাবাজ ও দুর্নীতবাজদের প্রশ্রয় দেবে না বলে জানিয়েছেন দলের আমির শফিকুর রহমান।

ভোটারের মুখে আবেগ কম, হিসাব বেশি