এসএসসি পাসের হারে ময়মনসিংহ বিভাগে শীর্ষে নেত্রকোনা
ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০.৪৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নেত্রকোনা। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদ প্রতিষ্ঠিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০.৪৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নেত্রকোনা। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদ প্রতিষ্ঠিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডের গড় পাসের হারের চেয়ে পিছিয়ে আছে নোয়াখালী জেলা, তবে গত বছরের তুলনায় পাসের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে ৪টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছে। তবে সামগ্রিক পাসের হার ও জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলে শিক্ষার্থীদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর এসএসসিতে গড় পাসের হার ৬৪ শতাংশের মতো—এ প্রেক্ষাপটে জিপিএ-ভিত্তিক মূল্যায়ন, গ্রাম-শহরের ব্যবধান, খাতা দেখায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে করণীয় নিয়ে মতামত।
যশোরের শার্শায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় ব্যাপক বিপর্যয়; ৩টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল এবং মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার মাত্র ৪০.৮৬ শতাংশ।
খাগড়াছড়ির তিনটি উচ্চবিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যে পাসের হার ৩৫.৫৬ শতাংশ জানা গেছে।
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় হুমায়ূন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাসের হার অর্জন করে উপজেলার শীর্ষস্থান দখল করেছে।
আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে, তবে পাসের হার কম হওয়ায় প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ইংরেজি ও গণিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলেও আইসিটিতে সর্বোচ্চ সাফল্য এসেছে। সামগ্রিকভাবে পাসের হার কমে ৬২.২৫ শতাংশ হয়েছে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার কমে ৬৪.০৫ শতাংশ হয়েছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে ছাত্রীদের সাফল্য বেশি।