এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এবার সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র পেয়েছে ৫২ হাজার ৭৮০ জন। ফলে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রী জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি। গত বছর ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও এবার সেই সংখ্যা ২২ হাজার ৫৬ জন কমেছে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার এবার ৬৪.০৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ২০২৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন পরীক্ষার্থী, যেখানে গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন।

অন্যদিকে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী।

আজ সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফল উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে প্রায় ১৮ লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘ আড়াই মাসের প্রতীক্ষার অবসান ঘটে। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল জানতে পারছেন। এছাড়া মোবাইল ফোনের এসএমএসসহ মোট তিন মাধ্যমে ফলাফল দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।