
মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যগুলো এখনো ভাঙা
মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যগুলো এখনো ভাঙা

মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যগুলো এখনো ভাঙা

একাত্তরে প্রথম প্রতিরোধ থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের নানা স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন স্থান পেয়েছে পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে। এসব স্মারক ও স্মৃতিচিহ্নের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রে ১৩ মার্চ গিয়ে দেখা যায়, সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাস্কর্যের হাতের অংশ এখনো ভাঙা। আনসার সদস্যদের হাতের রাইফেলগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া অবস্থায় রয়ে গেছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্সের নানা অবকাঠামো ভাঙচুর করা হয়। এর পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাটি সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে দৃশ্যটির ভিডিও ও স্থিরচিত্র। অভিনেতা শামস সুমনের মৃত্যুর পরই নতুন করে সামনে এসেছে এই আবেগঘন মুহূর্তটি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের খুরশেদ মোল্লা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রাক্তন ও বর্তমান প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী অংশ নিয়ে স্মৃতিচারণা ও নানা আয়োজনে মেতে ওঠেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার কামাউরা এলাকায় নির্মিত ‘মৈত্রীস্তম্ভে’। মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর শহীদ সদস্যদের স্মরণে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভ প্রকল্পের কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালে। তবে এখনো এটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে। এ অনুদানেই যাত্রা শুরু করেছিল ফাউন্ডেশন। এখন তহবিলে টাকা না থাকায় ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম চলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

২৬ মার্চ সকালে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

একসময়ের সহপাঠীকে কাছে পেয়ে গল্পে-স্মৃতিচারণায় তাঁরা ফিরে যান শৈশব-কৈশোরের স্কুলের দিনগুলোতে। কেউ কেউ বলে ওঠেন, ‘বন্ধু, কী খবর বল, কত দিন দেখা হয়নি।’

সেই তরুণীই পরে হয়ে উঠলেন ভারতের টেলিভিশনের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া তারকা। ছিলেন দেশের মন্ত্রী। এ এক অবিশ্বাস্য পথচলা স্মৃতি ইরানির।

কোনো মোগল সৈনিক নিজ জন্মভূমি আগ্রার স্মৃতিকে ধারণ করতেই এই এলাকার নাম করেন ‘আগ্রাবাদ’। সময়ের পরিক্রমায় সেই আগ্রাবাদই আজ বন্দরনগরের বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র।