ময়মনসিংহ বোর্ডে ৪ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে ৪টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছে। তবে সামগ্রিক পাসের হার ও জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলে শিক্ষার্থীদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে ৪টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছে। তবে সামগ্রিক পাসের হার ও জিপিএ ৫ প্রাপ্তিতে ছেলে শিক্ষার্থীদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।
রাজধানীর ডেমরায় সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯৯.৫৯। এদের মধ্যে ৭৯৩ জন জিপিএ–৫ পেয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০.৪৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নেত্রকোনা। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদ প্রতিষ্ঠিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে।
মিল্কভিটার পাস্তুরিত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়ে ১১০ টাকায় বিক্রি শুরু হয়েছে; ৫ আগস্ট থেকে এ দাম কার্যকর। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, উৎপাদন ও সংগ্রহ ব্যয় বেড়েছে এবং ১ আগস্ট থেকে খামারি পর্যায়েও দুধের দাম বাড়ানো হয়েছে।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রীরা এগিয়ে থাকলেও সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৭.৩৯ শতাংশে।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাসের হারে শীর্ষে ফেনী জেলা এবং সর্বনিম্ন নোয়াখালী জেলা অবস্থান করছে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সেরা দশে ষষ্ঠ এবং তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে রাঙামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। শতভাগ পাসের পাশাপাশি ৫৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় ৫০ হাজার ৪৩৬ জন ফেল করেছেন। মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম (৫০.৬১%) এবং সামগ্রিক পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আটটি জেলার মধ্যে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় শীর্ষস্থান দখল করেছে বগুড়া জেলা।
আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে, তবে পাসের হার কম হওয়ায় প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে।
বরিশাল বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষে পিরোজপুর জেলা। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।