রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে বগুড়া
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আটটি জেলার মধ্যে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় শীর্ষস্থান দখল করেছে বগুড়া জেলা।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আটটি জেলার মধ্যে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় শীর্ষস্থান দখল করেছে বগুড়া জেলা।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে সামগ্রিক পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে টানা দুই বছর এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার শূন্য। এছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডের আরও সাতটি বিদ্যালয়েও কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে ঢাকা বোর্ড সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
প্রবাসে এসএসসি পরীক্ষায় ৪০২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৫৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ৮৮.০৬ শতাংশ।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
পাসের হার ও জিপিএ-৫—উভয় সূচকেই রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বগুড়া জেলা, যদিও গত বছরের তুলনায় প্রাপ্তির হার কিছুটা কমেছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ফলাফলে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমে ৬৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশে নেমেছে, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন; একই সঙ্গে জিপিএ-৫ও কমেছে প্রায় ১৯ হাজার। ইংরেজি ও গণিতে দুর্বল ফল এবং মানবিক বিভাগের নিম্ন পারফরম্যান্সকে প্রভাবক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সব বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ।
চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে।
মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্ট পরিচালিত আলোর পাঠশালার ৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৬ জন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, যার সামগ্রিক পাসের হার ৬৫ শতাংশ।
রাজধানীর ডেমরায় সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবার এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯৯.৫৯। এদের মধ্যে ৭৯৩ জন জিপিএ–৫ পেয়েছে।