হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮৪০
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪১ শিশু, যার মধ্যে মোট ৮৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪১ শিশু, যার মধ্যে মোট ৮৪০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত চার মাসের বেশি সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৮৩৫ শিশু।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮২৮ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে ৭৯৯ শিশু হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে সাড়ে চার মাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে দেশে মোট ৮২০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
ঢাকা জেলার ৬ জনের মৃত্যুসহ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন; ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত এই পরিসংখ্যানে বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়।
দেশে গত ১৩০ দিনে হামের কারণে ৯৫ শিশুর মৃত্যু, টিকাদানে ঘাটতির কারণে প্রাদুর্ভাব বেড়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৭০৮ শিশু এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৫ শিশুর; সব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮০৩।
গত ডিসেম্বর থেকে গত মে মাস পর্যন্ত ছয় মাসে বাংলাদেশে ৪২,১৭৪ জন হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে।
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা) দেশে আরও চার শিশু মারা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ঢাকা ও সিলেট বিভাগের চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে।