ময়মনসিংহের ভালুকায় সাত বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মোহাম্মদ আলী (১৯) নামের এক মাদ্রাসাশিক্ষককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আসমা সুলতানা তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার বাশাবাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের কাশর চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত মাদ্রাসাতুত তাকওয়া নামের একটি কওমি মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।
শিশুটি একই মাদ্রাসার দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়িও একই উপজেলায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের আদালত পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার ওই শিশুর শরীরে স্পর্শ করে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন শিক্ষক মোহাম্মদ আলী। এ সময় তিনি বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিও করেন। পরদিন শিশুটি তার মাকে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় যান। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার কথা স্বীকার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই শিক্ষককে আটক করে। এ সময় মাদ্রাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক হালুয়া, তন্ত্র-মন্ত্রসংক্রান্ত বই, শতাধিক গ্রাহকের মন্ত্র লেখা ছবি, তাবিজসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।