ধর্ম ও দর্শনের মেলবন্ধনে ইবনে রুশদের
ইবনে রুশদ শিখিয়েছেন যে ধর্মীয় নিষ্ঠা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা বিপরীতমুখী বিষয় নয়। তাঁর আলোকিত চিন্তা ইউরোপে রেনেসাঁর ভিত্তি নির্মাণ করে, যা ‘অ্যাভারোইজম’ নামে খ্যাত।
ইবনে রুশদ শিখিয়েছেন যে ধর্মীয় নিষ্ঠা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা বিপরীতমুখী বিষয় নয়। তাঁর আলোকিত চিন্তা ইউরোপে রেনেসাঁর ভিত্তি নির্মাণ করে, যা ‘অ্যাভারোইজম’ নামে খ্যাত।
স্পেনের মাদ্রিদের সিয়েরা ওয়েস্তে অঞ্চলে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনে ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন লিওনেল মেসি বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
মরক্কো থেকে স্পেনের সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে ৭২ জন অভিবাসীর মৃত্যু এবং হাজার হাজার মানুষের ঢলের পেছনে ইসরায়েলের গোপন ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা।
স্পেনের উত্তরাঞ্চলের বার্গোস প্রদেশের আভেইয়ানোসা দে মুয়োনো গ্রাম পূর্ণ সূর্যগ্রহণ এবং পার্সেইড উল্কাবৃষ্টি—দুই বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে।
উন্নত জীবনের আশায় সাঁতরে স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন মরক্কোর মাগরেব অ্যাথলেটিক তেতোয়ানের নারী ফুটবলার ফাতেন বেন আমার এল আজিজি।
উন্নত জীবনের আশায় স্পেনের সেউতায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে সাগরপথে ডুবে মৃত্যু হয়েছে মরক্কোর ২০ বছর বয়সী সম্ভাবনাময় নারী ফুটবলার ফাতেন বেন আমার এল আজিজির।
নিজ দেশের সংঘাত থেকে পালিয়ে ইউরোপে আসতে চাওয়া মানুষের জন্য স্পেন অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার।
সেউতায় এখনো যাঁরা রয়ে গেছেন এবং পুলিশ ও স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতার চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাঁদের কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
দারিদ্র্য, বেকারত্ব এবং ইউরোপের চাকচিক্যময় জীবনের মোহে জীবনঝুঁকি নিয়ে স্পেনে পাড়ি জমাচ্ছেন মরক্কোর তরুণরা।
টিকটক ও ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে মরক্কোর বহু তরুণ নিজেদের ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন ও যাত্রার গল্প ভাগাভাগি করছিলেন।
সেউতা সীমান্তে অভিবাসীদের গণ-অনুপ্রবেশে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে, যা ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে।
মরক্কো থেকে স্পেনের সেউতায় ঢুকে পড়া হাজার হাজার মানুষের মধ্যে সাঁতারের ভিডিও ফুটেজ, ফেরত পাঠানোর দাবি এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে এ প্রতিবেদনে।
মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের ছিটমহল সেউতায় প্রবেশের চেষ্টাকালে অন্তত ৫৭ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সমুদ্র ও স্থলপথে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা চালান। তবে স্পেন সরকারের দাবি, শুক্রবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যার মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই মরক্কোয় ফিরে গেছেন। এ অন
সীমান্ত পেরিয়ে আসার চেষ্টা করা মানুষের সংখ্যা ছিল সেউতার স্বাভাবিক জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি।
উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের ভূখণ্ড সেউতায় অভিবাসীদের একটি বিশাল অনুপ্রবেশকে ঠেকিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে দেশটির সরকার। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩১ জুলাই) সেউতায় স্পেন সরকারের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, স্থল ও সমুদ্রপথে সীমান্ত অতিক্রম করা ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের অধিকাংশই ইতোমধ্যে স্বেচ্ছায় ফেরত যেতে শুরু কর
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আজ শুক্রবার সেউতা সফর করেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁর সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছে।
স্পেনের সেউতায় একদিনেই ৬০ হাজারেরও বেশি অভিবাসীর প্রবেশের ফলে চরম সংকট তৈরি হয়েছে। সমুদ্র পার হতে গিয়ে ও পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪১ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছে।
স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ভূখণ্ড সেউতায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৫০ হাজার অভিবাসীর প্রবেশের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা ভেঙে পড়েছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে স্পেন ও মরক্কো।
প্রতিবেশী মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকার স্প্যানিশ ছিটমহল সেউতার সীমান্তে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী ঢুকেছেন। এঁদের মধ্যে অন্তত নয়জন মারা গেছেন বলে স্পেন সরকার জানিয়েছে।
মরক্কো থেকে সাঁতরে ও ভাসমান টিউব ব্যবহার করে স্পেনের উত্তর আফ্রিকান ছিটমহল সিউতায় প্রবেশ করেছেন হাজার হাজার অভিবাসী। এক সপ্তাহ ধরে চলা এই ঢলে সীমান্ত এলাকার মানবিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সিউতার প্রশাসন।
বিশ্বকাপ শুরু হলেও ফেরমিন লোপেজ মানসিকভাবে প্রথম কয়েকটি ম্যাচ টিভিতে দেখার অবস্থায় ছিলেন না; পরে খেলা দেখতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফাইনালও দেখেছেন।
বিশ্বকাপে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন এবং ফাইনালের পর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে ফিফা। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের পাঁচ খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গাজার এক ভাঙা দেয়ালে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের ম্যুরাল এঁকে ভালোবাসার বার্তা পাঠিয়েছিলেন ছোট্ট লায়ান আল-কাওকা। সেই বার্তার জবাবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী তাকে সরাসরি ফোন করেন এবং ভিডিও বার্তায় কৃতজ্ঞতা জানান।
স্প্যানিশ ডিফেন্ডার দানি অলমো আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার ক্ষমা প্রার্থনা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার অভিযোগ এনেছেন।