গ্যাস উৎপাদনে শীর্ষ ১০ দেশ, কারা কত উৎপাদন করছে
বৈশ্বিক গ্যাসের বাজার মূলত কয়েকটি বড় দেশের উৎপাদনের ওপরই নির্ভরশীল।
বৈশ্বিক গ্যাসের বাজার মূলত কয়েকটি বড় দেশের উৎপাদনের ওপরই নির্ভরশীল।
দেশে গ্যাস সরবরাহে আগে থেকেই ঘাটতি রয়েছে। ফলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি ছাড়া তাৎক্ষণিক কোনো বিকল্প নেই।
নরসিংদী হলো দেশের অন্যতম বর্ধনশীল শিল্পাঞ্চল। সারা দেশে স্থানীয় কাপড়ের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ জোগান দেয় নরসিংদীর তিন হাজারের বেশি কারখানা।
গ্যাস সংকটের কারণে চিনির উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, ফলে খুচরা বাজারে চিনির দাম বেড়েছে এবং পরিশোধন কারখানাগুলো নগদ অর্থ ছাড়া চিনি বিক্রি করছে না।
গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় নরসিংদীসহ নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে বহু শিল্পকারখানায় উৎপাদন বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং সংকট সমাধানে সময়সীমা স্পষ্ট করা দরকার।
উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নবনির্বাচিত মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
গ্যাস–সংকটের প্রভাবে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর বিভিন্ন শিল্পে উৎপাদন কমেছে; কয়েকটি কারখানায় ছুটিও বাড়ানো হয়েছে। দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি উঠেছে।
ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলে তীব্র গ্যাস সংকটে ৯৯টি কারখানার উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং ২০টি প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের ছুটি দিতে বাধ্য হয়েছে।
গ্যাস–সংকটের কারণে কয়েকটি কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। এখন উৎপাদন চললেও ৩০ শতাংশের বেশি হচ্ছে না।
গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ায় চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা লিমিটেডে (সিইউএফএল) শিগগিরই ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হবে।
তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের বড় শিল্পগোষ্ঠীর নিত্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাগুলো বন্ধ বা অর্ধচলমান হয়ে পড়েছে, যার ফলে বাজারে পণ্য সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কেরানীগঞ্জের ব্রাদার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এমডি মো. মফিজুল ইসলাম জানান, এক মাসে জেনারেটর খরচ ৪০ শতাংশ ও বিদ্যুৎ বিল ৩০ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদন কমেছে ৩০ শতাংশ।