এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস, তীব্র লোডশেডিংয়ে জনভোগান্তি
এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বেলা তিনটায় এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাসের সরবরাহ কমেছে এবং লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে।
এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বেলা তিনটায় এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাসের সরবরাহ কমেছে এবং লোডশেডিং বৃদ্ধি পেয়েছে।
সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ থেকে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে দেশে আবারও গ্যাসের সরবরাহ কমেছে এবং সংকট বাড়ছে।
সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এলএনজি কার্গো আনার পরিকল্পনা থাকলেও আগস্টে নির্ধারিত চারটি কার্গোর একটিও না আসায় দেশে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির ফলে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ঢাকাসহ সারা দেশে তীব্র স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছে।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চট্টগ্রামজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গৃহস্থালি ও শিল্পখাতে প্রভাব পড়ার পাশাপাশি দৈনিক প্রায় ১২ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি চলছে।
এলএনজি রূপান্তর করে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের ভাসমান টার্মিনালটি গতকাল শনিবারও চালু করা যায়নি।
মহেশখালীর এক্সিলারেট এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে শিল্প, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও আবাসিক খাতে গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা জনজীবন ও শিল্প উৎপাদনকে ব্যাহত করছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংকট মোকাবেলায় এলএনজি মজুতের প্রয়োজনীয়তা এবং সরকারের করণীয় নিয়ে আলোচনা।
তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশে গ্যাসের সংকট চলছে। এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সামিটের টার্মিনাল থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ হলে সংকট আরও বেড়ে যায়।
কাতার থেকে আমদানি হয় ৭০ শতাংশ এলএনজি, দেশটির উৎপাদন বন্ধ থাকবে লম্বা সময়। বিকল্প উৎসের সন্ধান। দাম চড়া।
এবার এলএনজি করে গ্যাস আনার চিন্তা
এক্সিলারেটের টার্মিনালের ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি এখনো ঠিক হয়নি। এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।