নোয়াখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগুন, শ্রেণিকক্ষ পুড়ে ছাই
ওই বিদ্যালয়ের পাশে একই কম্পাউন্ডে অবস্থিত অপর একটি বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ওই বিদ্যালয়ের পাশে একই কম্পাউন্ডে অবস্থিত অপর একটি বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) ফোন করার পর পুলিশ গিয়ে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে। ঘটনার পর বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
কুষ্টিয়ার মিরপুরের এক মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে রাত আটটায় অচেতন অবস্থায় ১১ বছরের এক মেয়েশিশু উদ্ধার হয়েছে। ধর্ষণের প্রাথমিক সন্দেহে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। বিদ্যালয়ের দপ্তরি ও নৈশ্যপ্রহরীকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজত নিয়েছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট কমাতে মহানগরের স্কুল-কলেজে অনলাইন ও সশরীর মিশ্র ক্লাসের সিদ্ধান্ত আগামীকাল মন্ত্রিসভায় হতে পারে। সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন, তিন দিন সশরীর ক্লাসের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়েও জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মরা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই পরিবারের চার বোনসহ পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত চারজন একই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
সিরাজগঞ্জ জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য থাকায় দাপ্তরিক ও শিক্ষাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সহকারী শিক্ষকদেরকেই প্রধানের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে, যা শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রধান শিক্ষকের অভাব এবং ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অতিরিক্ত চাপের ফলে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার খবর।
সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শরীয়তপুরের এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের ৯৮৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৬৫টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, যা পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
বগুড়ার ৮১৬টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য, শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত।
ঝালকাঠি জেলার ৫৮৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১২৫টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই পদগুলো শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে এসব বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও পাঠদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বান্দরবানের ৪৩৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৭৫টিতে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ থাকায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।