সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের একাংশ ফিরলেন সেনাবাহিনীর সহায়তায়
রাঙামাটির সাজেকে পাহাড়ি ঢলে সড়ক প্লাবিত হয়ে আটকে পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে ১৫০ জনকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
রাঙামাটির সাজেকে পাহাড়ি ঢলে সড়ক প্লাবিত হয়ে আটকে পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে ১৫০ জনকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যার পানির তোড়ে ঘর হারিয়েছেন ছেনোয়ারা বেগম। বুধবার রাতে বৈলছড়ি ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি এস কে বি কনভেনশন হল আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদে ভেসে আসা কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে নৌকা থেকে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন আবদুল আলম (৩২) নামে এক যুবদল কর্মী। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
সীতাকুণ্ডে ৮ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা মামলায় আসামি বাবু শেখের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বন্যার পানিতে গলাসমান পানি মাড়িয়ে প্রসব বেদনায় কাতর এক গৃহবধূকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পশ্চিম আমিরাবাদ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন বলছে, পানির কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিরাপদে ফেরার ব্যবস্থা করা হবে।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। কোথাও কোথাও হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমেছে।
চট্টগ্রামের রাউজানে টানা বর্ষণে সৃষ্ট নালার তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
ঘরে টাঙানো বাবার ছবিটির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিল বিবি কুলসুম আক্তার। কয়েক মুহূর্ত চুপ থেকে উঠে দাঁড়াল। এরপর নিয়ে গেল ঘরের বাইরে। আঙুল তুলে দেখাল পাহাড়ের পাদদেশের একটি জায়গা। বলল, ‘ওখানেই আমাদের ঘর ছিল। ওখানেই বাবা আর আমার ছোট বোন মারা গিয়েছিল।’
পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা কাদা, গাছপালা ও মাটি চাপা দেয় টিনের ছাউনির ঘর। ধসে পড়ে দেয়াল, পাল্টে যায় একটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবন—ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৩ বছরের সামিয়া ইসলামের মৃত্যু হয়।
দ্রুতগতির প্রাইভেট কারের ধাক্কায় কর্ণফুলী টানেলের বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। দ্রুত মেরামতের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে একটানা অতি ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের পানিতে বিভিন্ন এলাকা ডুবে গেছে। ফলে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি এবং দীঘিনালা-লংগদু-সাজেক সড়কসহ বেশ কয়েকটি সড়কে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে সাড়ে চার শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন।