
‘নিজে মারা গিয়েও যদি ছেলেটাকে বাঁচাতে পারতাম’
মাহিনুজ্জামান খুব মেধাবী ও ভালো ছেলে ছিল। তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে গোটা গ্রামের মানুষ শোকাহত।

মাহিনুজ্জামান খুব মেধাবী ও ভালো ছেলে ছিল। তার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে গোটা গ্রামের মানুষ শোকাহত।

গোদাগাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিশ কোনো দায়িত্ব নিতে চায়নি। ইউএনওর কাছে গিয়েছিলাম, তিনিও এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’

সাতমাথার সবচেয়ে পুরোনো কাবাবওয়ালা আজিজার রহমান গেদা (৭২)। ১৯৮৮ সাল থেকে তিনি সাতমাথায় ফুটপাতে গরুর ভুঁড়ির কাবাব বিক্রি করছেন। এই ব্যবসার আয় দিয়ে বাড়ি করেছেন, জায়গা কিনেছেন, সন্তানদের পড়ালেখার খরচ চালিয়েছেন।

বগুড়ার শেরপুরে মহাসড়কের পাশে হেলে পড়েছে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি। কয়েকটি বাঁশ দিয়ে সেটি ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে খুঁটিটি মহাসড়কের দিকে হেলে রয়েছে।

পাবনার সুজানগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত মুনছুর খাঁ (৬০) নামের আরও একজন মারা গেছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

আলেয়া বেওয়া রাজশাহীর বাগমারার রামগুইয়া গ্রামের বাসিন্দা। মানসিক প্রতিবন্ধী একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েছিলেন।

বগুড়ার ৭৮টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে সিংহভাগই তেল শূন্য হয়ে বন্ধ রয়েছে। পাওয়া যাচ্ছে না পেট্রল ও অকটেন। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল, ট্রাক, বাস, কারসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের খুরশেদ মোল্লা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রাক্তন ও বর্তমান প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী অংশ নিয়ে স্মৃতিচারণা ও নানা আয়োজনে মেতে ওঠেন।

নিহত তিনজন হলেন ইজিবাইকের চালক বাবুল হোসেন, যাত্রী জাহিদুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম।

আসাদ আলীর (২৫) বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের বিয়াশ গ্রামে। বিয়াশ চার রাস্তার মোড়ে সিংড়া-বারুহাস সড়কের পাশে তাঁর জিলাপির দোকান।

তিনতলার ছাদের কার্নিশ থেকে পোষা বিড়ালকে উদ্ধার করতে গিয়ে পা পিছলে নিচে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে রাজধানীর শাহজাদপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক অভাব-অনটন এবং বিয়ের সামাজিক চাপকেও উপেক্ষা করে পড়াশোনার প্রতি অদম্য স্পৃহা দেখিয়েছেন রাজশাহীর মোসা. তামান্না খাতুন। এক বড় স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠা তামান্না স্বপ্ন দেখেন একদিন একজন আদর্শ শিক্ষক হবেন। শহরে বেড়ে উঠলেও আর্থিক সংকটের কারণে তার ছোটবেলা থেকেই নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।