জাহাজভাঙা শিল্প: গ্রিন ইয়ার্ডের সনদ মানেই শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা নয়
সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা শিল্পে সাম্প্রতিক প্রাণহানির প্রেক্ষিতে গ্রিন ইয়ার্ড সার্টিফিকেশন এবং বাস্তব নিরাপত্তার ব্যবধান নিয়ে গবেষক মোহাম্মদ আলী শাহীনের বিশ্লেষণ।
সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা শিল্পে সাম্প্রতিক প্রাণহানির প্রেক্ষিতে গ্রিন ইয়ার্ড সার্টিফিকেশন এবং বাস্তব নিরাপত্তার ব্যবধান নিয়ে গবেষক মোহাম্মদ আলী শাহীনের বিশ্লেষণ।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানির ঘটনা ফেরও স্মরণ করিয়ে দিল, জাহাজভাঙা শিল্পে নাগরিক নিরাপত্তা এবং শ্রমিক সুরক্ষায় সরকার ও মালিকপক্ষের দায় কতটা দৃশ্যমান।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
সিলেট ও বগুড়ায় ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক খাতের শাসনহীনতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে বিশ্লেষণ।
জাপানের কুমানোতো প্রিফেকচারে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে পৌঁছেছে। ভবন ধস ও গ্যাস বিস্ফোরণের মতো দুর্ঘটনায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরগুলো পূর্ণ দখলের নির্দেশ দিয়েছেন। সাম্প্রতিক অভিযানে জেনিনসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন অস্ত্রাগারের সীমাবদ্ধতা এবং বেসামরিক প্রাণহানির আশঙ্কায় জেডি ভ্যান্স ও ড্যান কেইনের উদ্বেগের মুখে ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
২০২৪ সালে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ও ব্যাপক নাগরিক প্রাণহানির প্রতিক্রিয়ায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত কায়দায় রাজপথে নেমে এসেছিল। সাধারণত যেকোনো গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের গল্প ধীরে ধীরে আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় ও সাংগঠনিক অংশের তৎপরতার গল্পের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। কিন্তু জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে পাঠ করতে না পারলে অভ্যুত্থানও অধরা রয়ে যায়।
রাজধানীতে রোদ-বৃষ্টির পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর; অতিবৃষ্টি ও বন্যায় দেশজুড়ে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ জনে।
মিয়ানমারের উপকূলে রোহিঙ্গাবাহী দুটি নৌকা ডুবে ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা জাতিসংঘের।
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার লেভেল ক্রসিংয়ে ১২ জনের প্রাণহানির ঘটনাটি দীর্ঘদিনের অব্যবস্থার ফল। দেশের ৬৫ শতাংশ লেভেল ক্রসিং অরক্ষিত থাকায় এবং দায়িত্বশীলদের অবহেলার কারণে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে, যা রোধে আধুনিক প্রযুক্তি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার দাবি উঠেছে।
দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও উপকূলীয় এলাকায় টানা বন্যায় প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও পানিবন্দিত্বের খবর পাওয়া যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া, নৌপথ বন্ধ, সেতু ভাঙাসহ নানা পরিস্থিতি এবং স্লুইসগেট খুলে দেওয়াসহ জরুরি করণীয়—সব মিলিয়ে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে।