জ্বালানি সংকটে তীব্র লোডশেডিং, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি গ্রামের মানুষের
জ্বালানি সংকট ও গ্যাসের স্বল্পতার কারণে দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়েছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে।
জ্বালানি সংকট ও গ্যাসের স্বল্পতার কারণে দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়েছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে।
কুমিল্লার আমতলী এলাকায় মহাসড়কের খানাখন্দ ও দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারকাজের ফলে আলেখারচর থেকে সুয়াগাজী পর্যন্ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে, যা যাত্রী ও চালকদের চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় লেনে ১৬ কিলোমিটার যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।
ছুটির কারণে ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে যাত্রীদের তীব্র ভিড় ও বাস সংকট দেখা দিয়েছে, যেখানে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে তিনগুণ বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
গ্যাস না পেয়ে ধুঁকছে শিল্পের চাকা ও রান্নার চুলা। সর্বোচ্চ লোডশেডিং আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন সার্ভারে ত্রুটির কারণে কয়েক ঘণ্টা ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা; পরবর্তীতে ম্যানুয়ালি কার্যক্রম চালানো হয়।
এফএসআরইউ-এর কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৪৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস কমে যাওয়ায় শিল্প ও সিএনজি স্টেশনগুলোতে সংকট দেখা দিয়েছে; দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে ১০০টি কূপ খননসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ঢাকা-সিলেট ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের প্রায় ২০ কিলোমিটারজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে এই যানজট শুরু হয়।
কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড এবং অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো অন্য কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার রাত আটটা থেকে রাজশাহী থেকে আন্তজেলা বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ও কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বে এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।
চার দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় জাপান গার্ডেন সিটির বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন থাকায় পানি সরবরাহও বন্ধ হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকায় রেললাইন দুই ফুট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে পর্যটক ও কক্সবাজার এক্সপ্রেসসহ একাধিক ট্রেনের যাত্রা বাতিল ও অনিশ্চিত হয়েছে।