
সন্তান যখন ঘর ছাড়ে: পরিবারের সংকটে ইসলামের সমাধান
মুসলিম পরিবারের জন্য সন্তানের বিচ্যুতি বড় কষ্টের। তবে একজন বাবা যখন নিজের অহংকার বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য ধরেন, তখন তিনি আরও বেশি সম্মানিত হন।

মুসলিম পরিবারের জন্য সন্তানের বিচ্যুতি বড় কষ্টের। তবে একজন বাবা যখন নিজের অহংকার বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য ধরেন, তখন তিনি আরও বেশি সম্মানিত হন।

বাবা সোফায় বসে রইলেন। মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দেবেন অফিসে যাওয়ার সময়। বাবার সঙ্গে মেয়ে কথা বলতে বলতে স্কুলে যাচ্ছে, এ এক মুগ্ধতা জাগানিয়া দৃশ্য!

মনসুর আহাম্মদের বড় ছেলে মো. তায়েফ জানান, তাঁর বাবা প্রবাসী ছিলেন। নিজের জমানো টাকা তুলতে এসে ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন।

মিরাকল ঘটে গেল অক্টোবর (২০২৫) মাসে! হজ এজেন্টের সঙ্গে একদিন দেখা হয়ে যায় চলতি রাস্তায়। কথায় কথায় সব ঠিক করে ফেলি। এ ছাড়া বাবাও দু-এক দিন আগে বলছিল ওমরাহর কথা। খুব দ্রুত ভিসা হয়ে যায়।

সত্তরের দশকে ইরানে আন্দোলন শুরু হলে এই অভিনেত্রীর বাবা যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরে যুক্তরাষ্ট্রেই তাঁর জন্ম হয়।

শেখ হাসিনা দেশের বিচারব্যবস্থাকে যেভাবে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন, সরকার পরিবর্তনের পরও তার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে অভিযোগ করেছেন নিহত ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি।

আতর তৈরি আর সুগন্ধির প্রতি ভালোবাসা থেকে বাবা মেয়ের নাম রাখে ‘খুশবু’। কিন্তু গ্রামের একটি দুষ্ট চক্রের চক্রান্তে বদলে যায় তার জীবন।

রিকশাচালক জয়নাল আবেদিনের মৃত্যুর পর মানুষ চিন্তা করেছিল হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে বাবার মৃত্যুর পর প্রবাসী ছেলে হাসপাতালের হাল ধরেছেন।

চট্টগ্রাম নগরে খতনা করাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে সাত বছরের শিশু মোহাম্মদ মোস্তফা। গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে সার্জারির জন্য তাকে ভর্তি করা হয়। সঙ্গে ছিলেন মা–বাবা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হাসিমুখে ছবিও তুলেছিল শিশুটি। সেই ছবিই এখন পরিবারের কাছে আজীবনের শেষ স্মৃতি। আজ মঙ্গলবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

ভ্রমণ শিশুর মানসিক বিকাশ, সামাজিক বোঝাপড়া ও বাস্তব জীবনের প্রস্তুতির একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

গতকাল বুধবার যখন বাবার মৃত্যুর খবর পায়, তখনো ঢাকার সিএমএইচে ছিল জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে পঙ্গুত্ব বরণ করা তাহসীন হোসেন।

লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া আয়েশার স্কুলের ফল প্রকাশিত হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে সে। তার রোল নম্বর ২২ থেকে এবার ২ হয়েছে। তা দেখে এখন আহাজারি করছেন মা–বাবা।