রাজনীতির কারণেই কি থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমার মুক্তি আটকে যাবে
নতুন করে গঠিত কমিটির কাছে ছবিটি রিভিউর জন্য পাঠানো হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে থালাপতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত ছবিটি শেষ মুহূর্তে বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
নতুন করে গঠিত কমিটির কাছে ছবিটি রিভিউর জন্য পাঠানো হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে থালাপতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত ছবিটি শেষ মুহূর্তে বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
তামিলনাড়ুতে বিজয় থালাপতির চমক
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেতা বিজয়কে নিয়ে ভক্তদের মন্তব্য শুনে লজ্জায় হেসে ফেলতে দেখা গেছে তৃষাকে।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের আলোচিত সিনেমা ‘জন নায়গন’ আজ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
একটি পুরস্কার অনুষ্ঠানে তামিল অভিনেতা-পরিচালক আর পার্থিবানের করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী তৃষা প্রকাশ্যে আপত্তি জানান।
তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকের ৩০ বিধায়ক থালাপতি বিজয়ের নতুন সরকারকে সমর্থন করলেন, যা দলের ভাঙন ঘটিয়েছে। এতে বিজয়ের আস্থা ভোট সহজ হয়েছে। অন্যদিকে, কেরালায় কংগ্রেস এখনো মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি।
থালাপতি বিজয়ের সিনেমা ‘জন নায়াগান’ মুক্তিকে ঘিরে সতর্ক প্রস্তুতি চলছে। টিকিটের কালোবাজারি ও বাড়তি অর্থ নেওয়ার মতো অভিযোগ এড়াতে নিজের টিমকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিজয়।
থালাপতি বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী শপথ গ্রহণে প্রেমিকা তৃষা কৃষ্ণানের জমকালো উপস্থিতি ভাইরাল হয়েছে। স্ত্রী-সন্তানদের অনুপস্থিতিতে তার ছবি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে উত্তেজনা। লোকে মজা করে বলছে, ‘বিয়ের ছবি দেখব কবে?’
থালাপতি বিজয়ের শেষ ছবি ‘জন নায়গণ’-এর গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য ও গানের অংশ অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। নির্বাচনের আগে এই ঘটনা ভক্তদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ছবিটি ঘিরে আইনি লড়াইয়ের ইতিহাসও দীর্ঘ।
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জন নায়গন’ মুক্তির আগে ১২টি পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি)।
থালাপতি বিজয়ের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে রাজনৈতিক বার্তা ভরা পাঁচটি সিনেমা নিয়ে আলোচনা। কৃষকের লড়াই থেকে স্বাস্থ্যসেবায় দুর্নীতি, ভোটাধিকারের গুরুত্ব—এসব বিষয় তাঁর ছবিগুলোতে উঠে এসেছে। এখন তিনি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বাস্তব রাজনীতিতে সক্রিয়।
তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয়ের টিভিকে কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম ও ভিসিকের সমর্থন পেলেও রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের অভাব দেখিয়ে আমন্ত্রণ জানাননি। বিধানসভা মেয়াদ শেষ হচ্ছে ১০ মে, রাষ্ট্রপতি শাসনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নাটকীয়তা অব্যাহত রয়েছে।