দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয় ১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বহু বছর আগে বাবা এস এ চন্দ্রশেখরকে দেওয়া কথা পূরণ করে ৫১ বছর বয়সী এই তারকা স্বপ্ন সाकার করেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা, পুত্র জ্যাসন সঞ্জয় বা কন্যা দিব্যা সাশ্বতীর কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ১৯৯৯ সালে পারিবারিকভাবে বিজয় ও সংগীতার বিয়ে হয়। তখন সংগীতা যুক্তরাজ্যে বাস করতেন এবং বিজয়ের সিনেমার শুটিংয়ে ফ্যান হিসেবে যোগ দেন। ২৭ বছর সংসারের পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে সংগীতা বিচ্ছেদের আবেদন করেন। বর্তমানে বিজয় ও সংগীতার বিচ্ছেদপ্রক্রিয়া আদালতে চলছে। ২৫০ কোটি রুপির খোরপোশ নিয়ে সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সঙ্গে মামলা অগ্রসর হচ্ছে।
এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানে ৪৩ বছর বয়সী বিজয়ের প্রেমিকা তৃষা কৃষ্ণান দক্ষিণি রানির বেশে উপস্থিত হন। চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় তিনি বিজয়ের মা শোবা চন্দ্রশেখর ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তৃষার মা উমা কৃষ্ণানও আয়োজনে ছিলেন। আকাশি-নীল রঙের সিল্কের শাড়ি, হীরা ও রুবির গয়না এবং খোঁপায় জুঁই ফুলের গাজরায় তৃষা অত্যন্ত মার্জিত লাগছিলেন।
প্রথম সারিতে বিজয়ের পরিবারের সদস্যদের পাশে বসে তিনি অনুষ্ঠান দেখেন। শেষে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ছবির নিচে মন্তব্যগুলো এরকম: ‘মনে হচ্ছে, তিনিই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। এমনভাবে সেজেগুজে সবাইকে হাত নাড়ছেন, যেন তিনিই বিজয়ের স্ত্রী!’, ‘এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী নারী’, ‘শপথ বিজয়ের, ভাইরাল তৃষা’, ‘সবই তো হলো, এখন বিয়ের ছবি দেখব কবে’। একজন বিজয়কে কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘সিএম (চিফ মিনিস্টার) অব এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্স।’ আরেকজন বলেছেন, ‘সবাই তৃষার জমকালো উপস্থিতি নিয়ে কথা বলছে। কেউ কেন বিজয়ের স্ত্রী-সন্তানদের অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বলছে না!’
একজন লিখেছেন, ‘পরকীয়া নিয়ে মাতামাতি না করে সমালোচনা করুন, ২৭ বছরের সংসার…যিনি বিজয়কে একটু একটু করে এগিয়ে যেতে দিয়েছেন, সর্বদা সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন, তিনিই আজ নেই।’ এর উত্তরে আরেকজন বলেছেন, ‘তাঁরা যদি সুখে থাকেন, আপনার–আমার কী! বিজয়কে এই সুখ ২৫০ কোটি রুপি দিয়ে কিনতে হচ্ছে।’
আপডেট: ১১ মে ২০২৬, ০৭:৪৮
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে ও ফিল্মফেয়ার






