পদ্মা সেতু: টোল আয় ৩ হাজার কোটি
পদ্মা সেতু: টোল আয় ৩ হাজার কোটি
পদ্মা সেতু: টোল আয় ৩ হাজার কোটি
সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দীর্ঘ পথ ঘুরে তাঁদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
মেয়াদ শেষ হওয়ার চার দশক পরও ঝুঁকিপূর্ণ সোনাহাট সেতুর ওপর দিয়ে চলছে ভারী যানবাহন। ১৩৬ কোটি টাকার নতুন সেতুর কাজ আট বছর ধরে ঝুলে থাকায় স্থানীয় মানুষ ও স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগের মুখে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার পদ্মা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ কোটি ৩২ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এটি এক দিনে টোল আদায়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।
এর মধ্যে উত্তরবঙ্গের দিকে গেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৩০৮টি যানবাহন এবং উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইলের দিকে এসেছে ৬৭ হাজার ৪৮৭টি।
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু সংযোগ সড়কের অভাবে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অব্যবহৃত হয়ে পড়ে আছে, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতু ধসে চরাদীসহ পাঁচটি গ্রামের ২০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে খিরাই নদের ওপর পুরোনো বেইলি সেতু অপসারণের সময় সেটি খালে ধসে পড়ে ইটবোঝাই একটি বাল্কহেড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন এবং স্থানীয় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির বটতলী এলাকায় কাচালং নদীর ওপর সেতুর জন্য ২৫ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন স্থানীয়রা। জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও সেতু না হওয়ায় ১২ হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম ঝুঁকি ও দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
গাইবান্ধায় প্রবল নদীভাঙনের মুখে পড়েছে ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এলজিইডির ত্রিমোহনী সেতু। এর ফলে সাঘাটা ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২০০৬ সালে রাঙামাটির আসামবস্তির সঙ্গে খাগড়াপাড়া ও কাপ্তাইয়ের যোগাযোগের জন্য নির্মিত হয় ২৯৪ মিটার দীর্ঘ ‘আসামবস্তি সেতু।’ নির্মাণের দুই দশক পার হওয়ার আগেই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে।’ সেতুর ১৯ জোড়া পিলার ও বেজে বের হয়ে গেছে পাথর। পিলারের গায়ে সামান্য চাপ দিলেই খসে পড়ছে
বর্ষার পানিতে টইটম্বুর চলনবিলে নৌকাভ্রমণ, প্রকৃতির সৌন্দর্য আর কুন্দইল সেতু ঘিরে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু মানুষ।