
হানিমুনে নায়িকা নীলা, রইল রোমান্টিক ৭ ছবি
স্বামীর সঙ্গে ঘোরাঘুরির অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কয়েকটি স্থিরচিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। নীলা ও তাঁর স্বামীর হানিমুনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবিগুলো একনজরে দেখে নিতে পারেন।

স্বামীর সঙ্গে ঘোরাঘুরির অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কয়েকটি স্থিরচিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। নীলা ও তাঁর স্বামীর হানিমুনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবিগুলো একনজরে দেখে নিতে পারেন।

অফিসের নাকউঁচু বসই যদি অধস্তন কর্মীর সঙ্গে এক নির্জন দ্বীপে আটকা পড়েন এবং নিজের প্রাণ বাঁচাতে পুরোপুরি তাঁর ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তখন সমীকরণটা কেমন দাঁড়াবে?

মাতারবাড়ী ও চট্টগ্রামে দেশের প্রথম দুটি মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বন্দরভিত্তিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মহান ইচক দুয়েন্দে টিয়াদুরে সৃষ্টিজগতের এমন এক প্রবণতার বিমূর্ত ও মূর্তের মিশ্র চিত্র গড়েছেন, যা মানুষের কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ববাদকে চ্যালেঞ্জ করে। মানুষ কেবল অপরাপর প্রাণ-প্রকৃতি হন্তারকই হয়ে ওঠেনি, এমনকি স্বজাতিকেন্দ্রিকতাও বজায় রাখতে পারেনি, লিপ্ত হয়েছে পরস্পরবিরুদ্ধ চিন্তা ও কার্যক্রমের অর্থহীন লড়াইয়ে, যা সমস্ত ভিন্ন ভিন্ন প্রাণসত্তার বৃহত্তর সম্পর্কজাল বিক্ষত ও ছিন্ন করে।

২০২২ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের আগে জানা যায়, নতুন করে প্রেমে পড়েছেন রদ্রিগো দি পল। সেটাও আরেক আর্জেন্টাইন তারকা সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী তিনি স্তোসেলের সঙ্গে।

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পীদের পোশাকও আলাদা করে নজর কাড়ে।

অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগালের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর বাবা মচ্ছিন্দ্র উগালে মেয়ের মানসিক অবস্থা ও জীবনের শেষ কয়েক মাসের কিছু অজানা দিক সামনে এনেছেন।

শাবানার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি সময় ১৫ জুন রাত ১০টায় যখন কথা হয় প্রথম আলোর, তখন নিউ জার্সির বাসায় স্বামী ওয়াহিদ সাদিকের সঙ্গে গল্প করছিলেন।

এই ধরনের সিনেমার সঙ্গে আমাদের দর্শকদের যোগাযোগ কম। অন্যদিকে আমার দ্বিতীয় সিনেমা প্রিন্সেস–এ দেশের যাত্রাশিল্পের দুরবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে শ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে সংশ্লিষ্ট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের কাছে তিনি পপ তারকা। কিন্তু কেটি পেরির কাছে এখন সবচেয়ে প্রিয় পরিচয় সম্ভবত ‘মা’।

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের নেতৃত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য ছিল—বুদ্ধির মুক্তি, তথা বিচার-বুদ্ধিকে অন্ধ সংস্কার ও শাস্ত্রের আনুগত্য থেকে মুক্তি দেওয়া। কেন?