সাহিত্যের আঙিনায় প্রেমের আকুলতা ও বিরহের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ ফুটে উঠেছে 'অগ্নিশিখা' শিরোনামের এই কাব্যিক পঙক্তিতে। কবির লেখনীতে ফুটে উঠেছে এক গভীর তৃষ্ণা এবং প্রিয়তমার প্রতি অদম্য আকর্ষণের গল্প।

কবিতার শুরুতেই এক মায়াবী রাতের আবহে কবির আকুতি প্রকাশ পেয়েছে এভাবে— "দিয়ো না চাঁদের ত্রুটি এখনই সারায়ে তৃষিত রাতের মায়াঘোরে, আমার ঠোঁটের ত্রুটি তুমিই সারাবে ডাহুকী ডাকলে কোনো ভোরে।"

আবেগের তীব্রতায় কবি নিজেকে বর্ণনা করেছেন এক অস্থির সত্তা হিসেবে, যার হৃদয়ের কম্পন দিগন্তের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তিনি লিখেছেন, "হৃদয় গড়িয়ে যায় দিগন্তের দিকে কম্পমান আমার শরীর, যে নদীর ধারা বয় অতীব গোপনে আমি তার ডুবু ডুবু তীর।"

কবিতার পরবর্তী অংশে প্রিয়তমার সান্নিধ্যে বিলীন হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। কবি প্রার্থনা করেছেন, "আমাকে বপন করো তোমার উঠোনে জল আর অশ্রু দিয়ো ঢেলে, চুমু হয়ে জন্ম নেব তোমার শিথানে ঠোঁটে নীল অগ্নিশিখা জ্বেলে।"

সবশেষে সন্ধ্যার বিষণ্ণতা এবং বেদনার এক সংমিশ্রণে কবিতাটি শেষ হয়েছে। কবির ভাষায়, "দুঃখ দিয়ো হাতে তুলে সন্ধ্যার বাতাসে মুখে দিয়ো মায়াবী বাদাম, দুহাতে বেদনা নিয়ে আমি টেনে ধরি ভাসমান শাড়ির লাগাম।"