ইরানের হামলায় বাংলাদেশির মৃত্যুতে বাহরাইনের শোক
বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক বাংলাদেশি নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে শোক প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার।
বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক বাংলাদেশি নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে শোক প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার।
উত্তর আমেরিকায় আদিবাসীদের ওপর চালানো ধ্বংসযজ্ঞের সময়কাল কোনো নির্দিষ্ট এক বা দুই বছরের বিষয় ছিল না। এটি ছিল পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে শুরু করে বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত প্রলম্বিত এক প্রক্রিয়া।
সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের হামলায় বিধ্বস্ত মুক্তকণ্ঠ ভবনের ধ্বংসস্তূপকে শিল্পভাষায় রূপ দিয়েছেন শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান।
পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, ভাঙা আসবাব ও বইপত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখে অনেকেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। শনিবার এসেছিলেন অভিনেতা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়।
প্রদর্শনী দেখতে এসে নাট্যাভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার হামলার ভয়াবহতা নতুনভাবে উপলব্ধি করার পাশাপাশি শিল্পের শক্তিতে আশার দিকনির্দেশনাও খুঁজে পেয়েছেন।
প্রদর্শনী দেখতে এসে চয়নিকা চৌধুরী জানালেন, এই ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর মনে হয়েছে—এ শুধু একটি ভবনের ক্ষতি নয়, গণমাধ্যম ও দেশের প্রতি আঘাতের এক গভীর প্রতীক।
‘আলো’ শীর্ষক প্রদর্শনী ঘুরে দেখতে এসে অদিতি মহসিন ফিরে গেলেন বিভীষিকাময় রাতে। ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে যেন নতুন করে উপলব্ধি করলেন ঘটনার ভয়াবহতা।
ওত পেতে বসে আছে বিধ্বংসী কাছিম গতির দিন সুযোগ কোথায়, তার সঙ্গে বহুদিন পর দ্বিরালাপ।
ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের চার বছর পেরিয়ে গেছে। ক্রেমলিন ড্রোন, পদাতিক বাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র ও সাঁজোয়া যান দিয়ে যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তার সমান্তরালে তারা অর্থনৈতিক ধ্বংসও চালিয়েছে।
সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ মুক্তকণ্ঠ ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি শিল্পকর্ম ‘আলো’র প্রদর্শনী।
সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর পর থেকেই দুই দেশ একে অপরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করার দাবি করে আসছে।
মুক্তকণ্ঠয় ইতিপূর্বে অসংখ্যবার এলেও এমন ধ্বংসস্তূপ প্রথমবার দেখলেন বলে জানান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সারা হোসেন।