অনিদ্রার দিকে, সমুদ্রলাঞ্ছিত হাওয়ায়
তোমার নীরব ঠোঁটে চুম্বনের দাগ লেগে আছে স্খলনের চিহ্ন মুছে, মৃতের রক্ষক এই চাঁদ আর আমি; ঘুমের ওপর নড়ে ছায়া, দূরত্বে তোমার...
তোমার নীরব ঠোঁটে চুম্বনের দাগ লেগে আছে স্খলনের চিহ্ন মুছে, মৃতের রক্ষক এই চাঁদ আর আমি; ঘুমের ওপর নড়ে ছায়া, দূরত্বে তোমার...
যা কিছু বেশি, যা কিছু অনন্ত যা কিছু গৌরব, যা কিছু দিগন্ত যা কিছু শ্রেষ্ঠ, যা কিছু জীবন্ত
ফুরিয়ে গেলে সকল কুসুমিত জিজ্ঞাসা— নখের ছায়া ভুলে পাড়ি দিয়ো অক্ষুণ্ন বিষাদ।
কালপুরুষ রোহিণী শ্রবিষ্ঠা রেবতী আমার ঘরে ঢুকে পড়ে, মনোযোগী শ্রোতার ন্যায় বসে থাকে, মাঝেমধ্যে গলাখাঁকারি দেয়, ভাবখানা এমন, আমরা এসেছি, তবু কথা বলছ না?
এ নিদানে দায় তুমি, কার নামে খোঁজো! সব দায় নিজে নাও, নিজের গরজে।
মৌন ইতিহাস থেকে উঠে আসে বৃহৎ বিস্ফোরণ উড়ে যায় বৃহৎকেশীর মন খারাপের মেঘ
কবি আতুকেই ওকাই ঘানার আক্রায় জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪১ সালের ১৫ মার্চ। ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর আফ্রিকা এবং আফ্রিকার বাইরের নানা দেশে তাঁর কবিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং তাঁর কবিতার শক্তিমত্তাকে তুলে ধরা হয়। আফ্রিকান মৌখিক কবিতা (ওরাল পোয়েট্রি) ও পারফরম্যান্স পোয়েট্রির বিকাশে তাঁর অবদান অতুলনীয়।
কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ যেন চিরযৌবনের প্রতীক। ব্যক্তিজীবন, কবিতা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে বশ্যতার নিয়ম ও আধিপত্যবাদী দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বিদ্রোহ। বিট–প্রজন্মের নেতা ও ভিয়েতনামে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধী এই কবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে। লিখেছিলেন তাঁর অমর কবিতা ‘যশোর রোডে সেপ্টেম্বর’। ৩ জুন এই কবির জন্মশতবর্ষ পূর্ণ হলো।
পাঠ্যবইয়ের বাইরে গল্প, কবিতা কিংবা মুক্তিযুদ্ধের বই পড়ার সুযোগ ছিল না চরপেঁচাকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।
বাংলা একাডেমিতে ভাবনগর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চর্যাপদের গান, সমকালীন কবিতা আলোচনা এবং পাপেট শো-এর এক ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কিওকো নিওয়া জাপানের প্রখ্যাত বাংলা সাহিত্য-গবেষক ও অনুবাদক। তিনি টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের সাবেক অধ্যাপক। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতকোত্তর (১৯৮৩) এবং ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি (১৯৮৮) অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় আধুনিক ও সমকালীন বাংলা সাহিত্য, বাংলা কবিতা ও তুলনামূলক সাহিত্য। দীর্ঘ শিক্ষকজীবনে তিনি টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে কিছু নাম সময়কে অতিক্রম করে কেবল লেখকের পরিচয় নয়, বরং একধরনের নান্দনিক ও মানবিক প্রতীকে পরিণত হয়। ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা (৫ জুন ১৮৯৮—১৮ আগস্ট ১৯৩৬) তেমনই এক নাম—যিনি কবিতা, নাটক ও প্রতীকের ভাষায় জীবন, মৃত্যু ও স্বাধীনতার গভীরতম সংকটকে রূপ দিয়েছেন। ৫ জুন তাঁর জন্মদিনে ফিরে দেখা তাঁকে কেবল স্মরণ করা নয়; বরং আধুনিক ইউরোপীয় সাহিত্যের এক ট্র্যাজিক কিন্তু উজ্জ্বল অধ্যায়কে নতুন করে পাঠ করা।