চকরিয়ায় নৌকাডুবিতে শিশুর মৃত্যু, পানিবন্দী ৩০ হাজার পরিবার
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আজ শুক্রবার ভোর থেকে বিভিন্ন এলাকায় আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আজ শুক্রবার ভোর থেকে বিভিন্ন এলাকায় আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল শেষে চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকায় পানি নামতে শুরু করলেও বাঁশখালীর আট ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ এখনো ব্যাহত।
ডিটুসি প্রযুক্তিতে সরাসরি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে খুদে বার্তা পাঠানো যাচ্ছে। ধাপে ধাপে যুক্ত হবে কল ও ইন্টারনেট সেবা।
দেশজুড়ে গত পাঁচ দিন ধরে চলা বৃষ্টির প্রভাবে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী রোববার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
রাঙামাটির সাজেকে পাহাড়ি ঢলে সড়ক প্লাবিত হয়ে আটকে পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে ১৫০ জনকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চন্দনাইশের পাঠানীপুল এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে মুরাদপুর এলাকায় রেললাইন ডুবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন বলছে, পানির কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিরাপদে ফেরার ব্যবস্থা করা হবে।
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের সাঙ্গু নদের পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ডলু, টঙ্কাবতী, মাইনী ও চেঙ্গী নদীর পানিও বেড়েছে। দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়েকটি উপজেলার বহু মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
চট্টগ্রামে টানা পঞ্চম দিনের অতি ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত, পাহাড়ধসে ২৯ জনের মৃত্যু এবং রেললাইন ডুবে কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ।
বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় দুই পরিবারের শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অবহেলিত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান সহজ করার ক্ষেত্রে খাগড়াছড়ির ‘স্বর্গের সিঁড়ি’ ছিল একটি অনন্য ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
চার দিন ধরে একটানা অতিভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।