চমকে উঠছে নীরব সাবার্বিয়া
পিছলে যাচ্ছে সাবানমাখা বাসন চমকে উঠছে নীরব সাবার্বিয়া
পিছলে যাচ্ছে সাবানমাখা বাসন চমকে উঠছে নীরব সাবার্বিয়া
ফেলে আসা সংসারের পুতুলবাঘ তবু স্বপ্নে দেখি—বাঘচোখের খাদে কবে যেন আমার কোনো করুণ মৃত্যু ছিল বলে
আমি মরণ কামড়ে এক টুকরা রুটি জুয়ায় ধরো ওরিনোকো মাদুরো মধ্যপ্রাচ্যের তেল!
ওগো ঢেউ, পাড়ে এসে আছড়ে পড়া ডুকরে ওঠা ঢেউ, মানুষের হৃদয়ের মতো তুমি কেন বিরহকাতর?
মধ্যরাতের নির্জনতায় জিকিররত জায়নামাজে ওইখানে ঠিক খুশবু ছড়ায় চোখ থেকে আর যায় না মা যে।
অদূরে-সুদূরে তুমি ছিলে দাঁড়িয়ে, আমি এত প্রেম পেরিয়ে আসছি না তোমার কাছে।
সময়টা মাথা তুলে দাঁড়াবার মতো সাহসী হলো এখনো সফল আগামীর কথা ভেবে তাকিয়ে আছে—
মিথেনের নদী থেকে উঠে এসে এই পাথুরে গুহায়। হিলিয়ামের দুনিয়ায়—অবসরে—
দিক ভুলে যায় দিগ্বিদিকে ছুটতে থাকা হরিণশাবক।
ক্রোমোজোম কোষে নানা সংকেতে সবই তা রয়েছে আঁকা।
মুহূর্তরা হারিয়ে না গেলে দিতে পারত সাক্ষ্য
লোকে বলে, জল ভাটিতে গড়ায়, দেশ ভরে গেছে খরা ও চরায়, মরু-সাহারার হাহাকারে-বাঁচা বৃক্ষের মূলে মাটি-জল নাই—