এডেন বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইয়েমেনে লড়াই তীব্র
হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় লক্ষ্যবস্তু হয়েছে ইয়েমেনের এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকার প্রধান প্রবেশপথ।
হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় লক্ষ্যবস্তু হয়েছে ইয়েমেনের এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকার প্রধান প্রবেশপথ।
ইয়েমেনের হুতিদের হামলার জবাবে সম্মিলিত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সক্রিয় করতে সম্মত হয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।
পাকিস্তানের অস্ত্রের চালানটি গত সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের বন্দরনগরী এডেনে পাঠানো হয়েছে।
সেদিন সন্ধ্যায় সাঈদ বাড়ি ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নেন। এর আগে তিনি তাঁর ভাই মোহাম্মদ ও তাঁর পরিবারকে তাঁদের সঙ্গে পালানোর জন্য রাজি করান।
ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনীর ৪৭৪টি অভিযানে ১,৫৪০ হুতি যোদ্ধা হতাহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির ওপর ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে দেশটির সরকারি বাহিনী।
ইয়েমেনে সৌদি আরবের অভিযানকে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে।
হুতিদের সাম্প্রতিক হামলা তেল সরবরাহে নতুন ও বিপজ্জনক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় ফ্রন্টের পতন কিন্তু কেবল হুতিদের বিপুল সদস্যসংখ্যার কারণে ঘটেনি, এটি ছিল মূলত রাশিয়া ও ইরানের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড ব্যবস্থার ফলাফল।
ইরানের শান্তি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার ছাড়িয়েছে।
স্কুল বন্ধ রাখার কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি
সৌদি আরবের রিয়াদ ও খামিস মুশাইত লক্ষ্য করে হুতিদের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের দাবি করেছে সৌদি জোট।
সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে হুতিরা। জরুরি বৈঠকে বসছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানেরা।
কায়রো আজ এমন এক নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতার মুখোমুখি, যা কেবল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সুয়েজ খালের রাজস্বকেই হুমকির মুখে ফেলছে না; বরং মিসরের পূর্ব ও দক্ষিণ সীমান্তে যেন এক বিষাক্ত খঞ্জর বসিয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, সৌদি আরবকে এ সহায়তা ‘সীমিত মেয়াদে’ ও শুধু ‘প্রতিরক্ষামূলক কাজে’ দেওয়া হবে।
হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার ঢেউয়ের মুখে সৌদি আরব কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, এই হামলা তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।
সৌদি আরবের আবেদনে সাড়া দিয়ে ইয়েমেনে হুতিদের অবস্থানে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে হামলার নির্দেশ দেওয়া হবে কি না—এই প্রশ্ন টানা দুই সপ্তাহ ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বেশ ভাবিয়েছে।
মার্কিন হামলার প্রস্তুতি প্রায় শেষ হলেও শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলান ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে না লড়তে রাজি হয়েছে ইয়েমেনের হুতিরা।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রডের নভেম্বর মাসের ফিউচার দর ২ দশমিক ১১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০১ দশমিক ৬৮ ডলারে নেমেছে।
ট্রাম্পের বরাতে ফক্স নিউজের সাংবাদিক ট্রে ইয়িংস্ট বলেন, ওয়াশিংটন ‘হুতিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই না করতে রাজি হয়েছে।’
পবিত্র মক্কা ও মদিনার পবিত্রতা। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সৌদি আরবে হামলা।
সৌদি আরবের নেতৃত্বের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর আরও একবার ভরসা করেছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান—যে ট্রাম্প সৌদি আরবকে সুরক্ষা দেবেন। তবে ফলাফল সেই আগের মতোই, ট্রাম্প তাঁকে আবারও হতাশ করেছেন।
বেইজিং চায় না জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ুক। এ কারণে হুতিদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন।