অতিবৃষ্টি–অনাবৃষ্টির খোদায়ি রহস্য ও মুমিনের করণীয়
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’
রাত জেগে অতিরিক্ত কাজ করার কারণ হলো, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এবং দ্রুত ধনী হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। মানুষ মনে করে সে যত জাগবে, তত আয় করবে।
একবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি মৌখিক উত্তর দিলেন না। যেতেও দিলেন না সেদিন। নিজের কাছে রেখে দিলেন দুই দিন।
অনেক সময় আত্মীয়স্বজনের মধ্যেই দেখা যায় কেউ আমাদের কষ্ট দিচ্ছে, পেছনে কথা বলছে, ভুল বুঝছে কিংবা কোনো কারণে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।
নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।
সম্মান শুধু কথায় নয়, মনোযোগেও প্রকাশ পায়। যখন আমরা কারও সঙ্গে কথা বলি, তখন সে বারবার ফোনের স্ক্রিন দেখলে কথোপকথনের সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
সুস্থ না থাকলে মানুষ ঠিকমতো পার্থিব কাজ যেমন করতে পারে না, তেমনি ধর্মীয় দায়িত্বও পালন করতে পারে না। নিজেকে সুস্থ রাখতে দরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
একজন মুসলমান ব্যবসা, কৃষি, শিল্প কিংবা যেকোনো পেশা নিতে পারবে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই প্রতারণা, সুদ, ঘুষ, বা হারাম পন্থায় সম্পদ অর্জন করতে পারবে না।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে অনেক ভিত্তিহীন কাহিনি, যা লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে ধর্মীয় বিশ্বাসের রূপ নিয়েছে।
সলামে নতুন চাঁদ দেখা আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ। মহানবী (সা.) আকাশে নতুন চাঁদ দেখলে উম্মতকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।
মানুষের ভুলের পথ যতই দীর্ঘ হোক না কেন, তার জন্য ফিরে আসার দরজা সব সময় খোলা। আর সেই ফিরে আসার নামই তওবা।
এই সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক পঙ্কিলতার মধ্যেও যাঁরা নিজেদের চরিত্র ও নৈতিকতা রক্ষা করতে পারেন, তাঁদের জন্য রয়েছে পরকালের পরম সুসংবাদ।
প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, এখানকার বিশাল পাহাড় কেটে তৈরি করা চোখধাঁধানো কারুকার্য ও স্থাপত্যশৈলী আধুনিক যুগের মানুষকেও রীতিমতো অবাক করে দেয়।
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
মুহাজির, আনসার এবং বনু হাশিম (নবীবংশের) সাহাবিদের তিনটি পৃথক দল ছিল মজলিশে। কথা প্রসঙ্গে বিতর্ক সৃষ্টি হলো, আমাদের মধ্যে কারা নবীজির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও প্রিয়পাত্র
সাফল্যের সব জাগতিক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার পর মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন জাগে—‘এরপর কী?’ শুধু বিত্ত-বৈভব বা সামাজিক প্রতিপত্তি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না।
বৃষ্টি নামলেই অনেক মানুষ বিরক্ত হয়। কেউ যানজটের কথা ভাবে, কেউ কাদা-পানির ঝামেলায় অসন্তুষ্ট হয়। অথচ একজন সচেতন মুমিনের দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত ভিন্ন।
মহানবী (সা.) তাঁর জীবনে শুধু আধ্যাত্মিক সাধনাই করেননি, বরং শরীরচর্চা, খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এক অনন্য আদর্শ স্থাপন করেছেন।
হজের সফরের প্রতিটি মোড়ে, ইহরাম থেকে শুরু করে আরাফাতের ময়দান পর্যন্ত, রাসুল (সা.) আমাদের নির্দিষ্ট কিছু দোয়া ও জিকির শিখিয়েছেন। হাদিসসমর্থিত দোয়াগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।
নেতৃত্বের প্রকৃত সংজ্ঞায় মহানবী (সা.)-এর চেয়ে সফল কেউ নেই। তাঁর জীবন থেকে সফল নেতা বা সংগঠক হওয়ার ১০টি অনন্য সূত্র তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো অনুসরণ করে যেকোনো দলকে সাফল্যের শিখরে নেওয়া সম্ভব।
ইসরায়েলি বর্ণনা কী এবং এগুলো কতটা নির্ভরযোগ্য? এসব বর্ণনায় আংশিক ঐতিহাসিক তথ্য থাকলেও সবগুলো বিশ্বাসযোগ্য নয়। আলেমদের নীতি অনুসারে এগুলো গ্রহণ-বর্জনের সীমা বোঝা জরুরি।
হাদিসের মূল শব্দ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর নাম-গুণাবলি, ইবাদতের দোয়া-জিকির, জাওয়ামিউল কালিমসহ পাঁচটি বিশেষ অবস্থায় হাদিস অবশ্যই হুবহু বর্ণনা করতে হয়। এসব ক্ষেত্রে একটি শব্দের পরিবর্তনেই ভুল অর্থ প্রকাশ পেতে পারে।
হাদিসের আলোকে একজন মুমিন কখনো নিজেকে অক্ষম মনে করবেন না। বরং সে জানবে, তার সম্ভাবনা অসীম, যা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের মাধ্যমে বিকশিত হতে পারে।
সাফল্য কোনো আকস্মিক প্রাপ্তি নয়, বরং তা সুশৃঙ্খল অভ্যাসের ধারাবাহিক ফসল। মুহাম্মদ (সা.) তাঁর ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ‘সময় ব্যবস্থাপনা’র মাধ্যমে সফল হওয়ার পথ দেখিয়েছেন।