এতিম কেন বিশেষ যত্নের দাবিদার
মুহাম্মদ (সা.) জন্মেছিলেন এতিম হয়ে। এটি পৃথিবীর সমস্ত এতিমের জন্য অনেক বড় সম্মানের এবং সান্ত্বনার বিষয়। তিনি মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই পিতাকে হারান।
মুহাম্মদ (সা.) জন্মেছিলেন এতিম হয়ে। এটি পৃথিবীর সমস্ত এতিমের জন্য অনেক বড় সম্মানের এবং সান্ত্বনার বিষয়। তিনি মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই পিতাকে হারান।
মিতব্যয়িতা মানুষকে মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে রক্ষা করে। যখন কেউ অল্পে তুষ্ট থাকে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করে, তখন আল্লাহ তার বরকতের দুয়ার খুলে দেন।
একটি হাদিসকে সহিহ হিসেবে গণ্য করার জন্য মুহাদ্দিসগণ মৌলিক পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করেছেন। এই শর্তগুলো সহিহ হাদিসের উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকেই স্পষ্ট হয়।
যাঁদের আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য রয়েছে, তাঁদের জন্য হজ আদায়ে গড়িমসি করা গুনাহের কারণ হতে পারে। বার্ধক্য কিংবা অসুস্থতা আসার আগেই হজ করা উচিত।
সমাজে প্রচলিত এক দোয়ায় ‘তকদির পরিবর্তন হয় না’ বলা হয়, কিন্তু হাদিস ও কোরআন দেখায় দোয়াই তকদির পরিবর্তন করে। ইবনে তাইমিয়া (রহ.) উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন, খাওয়া ছাড়া পেট ভরে না, তেমনি দোয়া ছাড়া বিপদ কাটে না। নবীদের ঘটনা এর প্রমাণ।
হাদিস শাস্ত্রের ইতিহাসে কারিমা বিনতে আহমদ (রহ.)-এর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ। ১০০ বছর জীবনযাপন করে তিনি সহিহ বুখারির বিশুদ্ধতা রক্ষায় অসাধারণ অবদান রাখেন। মক্কায় বসবাস করে বিশ্বের আলেমগণ তাঁর কাছে জ্ঞান লাভ করেছিলেন।
হজরত ওমর (রা.)-এর বর্ণনায় নবীজি (সা.)-এর মজলিসে মানুষের রূপে জিবরাইল (আ.)-এর আগমন ঘটে। তিনি ইসলাম, ইমান, ইহসান এবং কিয়ামতের লক্ষণ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। এই হাদিস দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা প্রকাশ করে।
মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। ধনী-দরিদ্র সবার জন্য দৈনন্দিন কাজগুলো পুণ্যের পথ খুলে দিয়েছে। হাদিসের আলোকে সদকার বিস্তৃত রূপ তুলে ধরা হয়েছে।
তকদিরের দোহাই দিয়ে দোয়া থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়। কারণ দোয়া নিজেই ভাগ্যের একটি অংশ। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কিছুর কমতি নেই।
আমরা মনে করি কেবল নামাজ, রোজা, জাকাত বা হজের মাধ্যমেই এই মুক্তি সম্ভব। কিন্তু নবীজির একটি হাদিস আমাদের সামনে ভিন্ন এক দুয়ার খুলে দেয়।
‘এখনই ফলাফল চাই’—এমন মানসিকতা আমাদের সবার মধ্যেই আছে। প্রশ্ন হলো, এটি সামলাব কীভাবে? পবিত্র কোরআন এ প্রশ্নের চমৎকার সমাধান দিয়েছে।
নবীজি (সা.) খেজুরকে কেবল দস্তরখানের সৌন্দর্য হিসেবে দেখেননি, একে ক্ষুধা নিবারণ ও শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বলা হয়, “দুনিয়ার জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন তুমি চিরকাল বাঁচবে, আর আখেরাতের জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন তুমি আগামীকালই মারা যাবে।”
বসরা নগরীতে তিনি নারী–পুরুষ উভয়কেই শিক্ষাদান করতেন। প্রখ্যাত বিচারক ইয়াস বিন মুয়াবিয়া বলেন, “আমি এমন কাউকে দেখিনি যাকে হাফসার ওপর প্রধান্য দেওয়া যায়।”
এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।
মহানবীর দাওয়াতি কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ ছিল ‘উপমা’। তাঁর উপমা থেকে স্পষ্ট হয় প্রাণ ও প্রকৃতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কত গভীর ছিল।
যারা অজ্ঞ ও অহংকারী, তারা কখনো হেদায়েত পায় না, জ্ঞানও হাসিল করতে পারে না। বৃষ্টি ও মাটির উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি তিনি চমৎকারভাবে তিনি বুঝিয়েছেন।