
‘বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ’ যৌন সহিংসতার শিকার সুদানের নারীরা
সুদানের যুদ্ধে নারীরা ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ’ যৌন সহিংসতা এবং অন্যান্য অপরাধের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে দেশটির মানবাধিকারকর্মী ও বর্তমানে সেনাবাহিনী-সমর্থিত সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানিয়েছেন।

সুদানের যুদ্ধে নারীরা ‘বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ’ যৌন সহিংসতা এবং অন্যান্য অপরাধের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে দেশটির মানবাধিকারকর্মী ও বর্তমানে সেনাবাহিনী-সমর্থিত সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানিয়েছেন।

দানের লোহিত সাগরের উপকূল, উর্বর কৃষিজমি, যুবক যোদ্ধা—এসব কিছুই আরব আমিরাতকে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আরব আমিরাত চীন ও পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাবকে ছাড়িয়ে প্রধান বহিরাগত শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের পরিস্থিতি মোটেও অনুকূল নয়। অনেক মানুষ সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার মধ্যেও ফিরছেন, ওই সব মানুষদের দেশে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে তাই প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলার প্রাদুর্ভাবে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৪৬ জন আক্রান্ত। ইতোয়ুরি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণ উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে চিন্তা বাড়িয়েছে। আফ্রিকা সিডিসি জরুরি বৈঠক ডেকেছে।

বিতর্কের জেরে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং পদত্যাগ করেছেন।

তবুও সুদানিরা তাদের আতিথেয়তা ছাড়েনি। বাস্তুচ্যুত মানুষগুলোও তাবুর সামনে ছোট করে পাটি বিছিয়ে ইফতার ভাগ করে নিচ্ছেন, যেন তা তাদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন।

সৌদি আরবের এই সামরিক অভিযানের মাধ্যমে রিয়াদের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘এই খেলা’ আর চলবে না। ইয়েমেন থেকে সুদানসহ বিভিন্ন দেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী মিলিশিয়াদের সমর্থন দিয়ে আমিরাত যেভাবে নিজের সামরিক প্রভাব বাড়াচ্ছিল, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আর তা নীরবে মেনে নিতে রাজি নন।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুদানের সামরিক বাহিনীর কাছে যুদ্ধবিমান ও অস্ত্র বিক্রি করতে প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে পাকিস্তান।

২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে সুদান সেনাবাহিনী এবং আধা সামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। সুদানের দক্ষিণ কর্দোফান অঞ্চলে বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা চলছে।